জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। একই সঙ্গে কুয়েতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতেও হামলার কথা জানিয়েছে তেহরান।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানায়, জর্ডানের ওই ঘাঁটিতে ‘আমেরিকান শত্রুর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা’ লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, স্থাপনাটি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে ব্যবহৃত হচ্ছিল, যার প্রতিশোধ হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে।
তবে জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া চারটি ক্ষেপণাস্ত্র তাদের আকাশসীমায় প্রবেশের পরই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ভূপাতিত করা হয়েছে। দেশটির সরকারি বার্তাসংস্থা পেট্রাও একই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এদিকে আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার রাতেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় আবু মুসা, কেশম ও কিশ দ্বীপসহ বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। বন্দর আব্বাসসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একাধিক এলাকাতেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।
ইরান আরও দাবি করেছে, কুয়েতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, যেখানে যোগাযোগ কেন্দ্র, জ্বালানি সংরক্ষণাগার এবং প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
এছাড়া হরমুজ প্রণালির ওপর মার্কিন বাহিনীর একটি এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করার দাবিও করেছে তেহরান। দেশটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক হামলার জবাবে প্রতিশোধমূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।