৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

তিন মুসলিম শক্তির জোট: মক্কা থেকে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন বার্তা
আবদুল আহাদ সালমান

বিশ্ব রাজনীতির প্রচলিত ক্ষমতার কাঠামো দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। একসময় বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও কৌশলগত সিদ্ধান্তের বড় অংশ নির্ধারিত হতো কয়েকটি পরাশক্তির নেতৃত্বে। কিন্তু বর্তমান বিশ্বে সেই এককেন্দ্রিক বাস্তবতা ক্রমেই বহুমাত্রিক হয়ে উঠছে। আঞ্চলিক শক্তিগুলো নিজেদের নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষায় আগের তুলনায় বেশি স্বাধীন ভূমিকা নিতে চাইছে।

এই পরিবর্তিত বাস্তবতার মধ্যেই সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে মক্কায় স্বাক্ষরিত যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। তিন দেশের এই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা শুধু সামরিক সম্পর্কের সম্প্রসারণ নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া ও বৃহত্তর মুসলিম বিশ্বের ভূরাজনীতিতে একটি নতুন সমীকরণের সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

চুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হলো পারস্পরিক নিরাপত্তা। তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা অন্য দুই দেশের নিরাপত্তার জন্যও সরাসরি হুমকি হিসেবে বিবেচিত হবে। ফলে সম্ভাব্য আগ্রাসনকারীকে এখন একটি দেশের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার আগে তিন দেশের সম্মিলিত প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা বিবেচনা করতে হবে। এখানেই এই চুক্তির কৌশলগত গুরুত্ব।

তিন দেশের শক্তির ভিন্নতা, কিন্তু স্বার্থের মিল :

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের শক্তির ধরন এক নয়। বরং এই তিন দেশের বিশেষ সক্ষমতাই তাদের পারস্পরিক সহযোগিতাকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

সৌদি আরবের প্রধান শক্তি তার অর্থনীতি, জ্বালানি সম্পদ ও ভূরাজনৈতিক প্রভাব। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল উৎপাদন ও রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে রিয়াদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বিশাল। পাশাপাশি মুসলিম বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে সৌদি আরবের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় প্রভাবও অনস্বীকার্য।

অন্যদিকে পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় কৌশলগত শক্তি তার সামরিক সক্ষমতা ও পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা। দেশটির রয়েছে দীর্ঘ সামরিক অভিজ্ঞতা, বৃহৎ সশস্ত্র বাহিনী এবং একটি উল্লেখযোগ্য প্রতিরক্ষা শিল্প। ফলে যে কোনো আঞ্চলিক নিরাপত্তা সমীকরণে পাকিস্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক শক্তি।

তুরস্কের বিশেষ শক্তি তার সামরিক প্রযুক্তি ও ক্রমবর্ধমান দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প। বিশেষ করে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র, সাঁজোয়া যান, নৌযান ও অন্যান্য সামরিক প্রযুক্তিতে তুরস্ক গত এক দশকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। ন্যাটোর সদস্য হিসেবে দেশটির সামরিক অভিজ্ঞতাও বিস্তৃত।

অর্থনৈতিক শক্তি, সামরিক সক্ষমতা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতার এই সমন্বয়ই তিন দেশের জোটকে বিশেষ তাৎপর্য দিয়েছে।

‘ইসলামিক ন্যাটো’—কতটা বাস্তব?

এই চুক্তি ঘোষণার পর বিভিন্ন মহলে একে ‘ইসলামিক ন্যাটো’ হিসেবে অভিহিত করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তবে এই তুলনার ক্ষেত্রে কিছুটা সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

ন্যাটো একটি দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক সামরিক জোট। এর রয়েছে সুসংগঠিত কমান্ড কাঠামো, যৌথ সামরিক পরিকল্পনা, সদস্যদের মধ্যে সমন্বিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা।

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের বর্তমান চুক্তিকে সেই একই পর্যায়ের সামরিক কাঠামো হিসেবে দেখার সময় এখনো আসেনি। বরং এটিকে তিন দেশের মধ্যে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন কাঠামো হিসেবে দেখা অধিক বাস্তবসম্মত।

তবে ভবিষ্যতে যদি এর আওতায় নিয়মিত যৌথ সামরিক মহড়া, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সামরিক প্রযুক্তি সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা গবেষণা এবং যৌথ অস্ত্র উৎপাদনের মতো কার্যক্রম বাড়ে, তাহলে এর কৌশলগত গুরুত্ব বহুগুণে বৃদ্ধি পেতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যে কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের নতুন অধ্যায় :

মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বহু দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এবং পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহ বড় ভূমিকা পালন করেছে।

কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একটি নতুন উপলব্ধি তৈরি হয়েছে। নিজেদের নিরাপত্তার জন্য কোনো একক পরাশক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল থাকা দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকিপূর্ণ।

সৌদি আরবের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতা, তুরস্কের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি এবং পাকিস্তানের বহুমুখী আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এই বৃহত্তর পরিবর্তনেরই অংশ। মক্কার এই প্রতিরক্ষা চুক্তি সেই প্রবণতাকে আরও দৃশ্যমান করেছে।

এর অর্থ পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা নয়। বরং এর অর্থ হলো, আঞ্চলিক শক্তিগুলো নিজেদের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থে আরও বেশি বিকল্প তৈরি করতে চাইছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নতুন বাস্তবতা :

ওয়াশিংটনের জন্য এই জোটকে অবহেলা করার সুযোগ নেই। সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তুরস্ক ন্যাটোর সদস্য। পাকিস্তানের সঙ্গেও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ সামরিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে।

তবু তিন দেশের মধ্যে একটি স্বতন্ত্র প্রতিরক্ষা কাঠামো গড়ে ওঠা যুক্তরাষ্ট্রকে একটি নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি করছে। মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রগুলো নিজেদের নিরাপত্তা কাঠামোতে ক্রমেই বেশি স্বাধীনতা চাইছে।

এটি যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী কোনো সামরিক ঘোষণা নয়। বরং এটি ওয়াশিংটনের জন্য একটি কৌশলগত বার্তা—আঞ্চলিক দেশগুলো এখন নিজেদের নিরাপত্তা নীতিতে আগের চেয়ে বেশি সক্রিয় এবং বহুমুখী অংশীদারিত্বের দিকে এগোচ্ছে।

ভারতের জন্যও নতুন হিসাব :

এই নতুন প্রতিরক্ষা সমীকরণের প্রভাব দক্ষিণ এশিয়ায়ও পড়তে পারে। ভারত ও পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের বৈরিতা রয়েছে। তুরস্কের সঙ্গে পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠ প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত সম্পর্কও নতুন নয়। ফলে পাকিস্তান যদি তুরস্কের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং সৌদি আরবের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রভাবকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজে লাগাতে পারে, তাহলে দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত ভারসাম্যে নতুন কিছু পরিবর্তন আসতে পারে।

তবে এটিকে সরাসরি ভারতবিরোধী সামরিক জোট হিসেবে চিহ্নিত করা সঠিক হবে না। কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে এই চুক্তি করা হয়েছে, এমন ঘোষণা নেই।

তারপরও নয়াদিল্লিকে নতুন বাস্তবতাটি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। কারণ আধুনিক ভূরাজনীতিতে সামরিক শক্তির পাশাপাশি কূটনৈতিক অংশীদারিত্ব ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির সহযোগিতাও ক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

মুসলিম বিশ্বের জন্য বড় সম্ভাবনা :

এই জোটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা হয়তো সরাসরি সামরিক ক্ষেত্রে নয়, বরং প্রতিরক্ষা শিল্প ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতায়।

সৌদি আরবের বিনিয়োগ সক্ষমতা, পাকিস্তানের সামরিক অভিজ্ঞতা এবং তুরস্কের প্রযুক্তিগত দক্ষতা যদি একটি সমন্বিত কাঠামোর মধ্যে আনা যায়, তাহলে মুসলিম বিশ্বের মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্পে নতুন সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

ড্রোন প্রযুক্তি, আকাশ প্রতিরক্ষা, সাইবার নিরাপত্তা, সামরিক প্রশিক্ষণ, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা গবেষণায় যৌথ উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব।

বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে বিদেশি অস্ত্রের ওপর নির্ভরশীল মুসলিম দেশগুলোর জন্য নিজস্ব প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ও শিল্প সক্ষমতা গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ সামরিক স্বাধীনতা শুধু অস্ত্র কেনার মাধ্যমে আসে না; আসে অস্ত্র তৈরি, রক্ষণাবেক্ষণ, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং প্রয়োজনের সময় নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতার মাধ্যমে।

তবে চ্যালেঞ্জও কম নয় :

তিন দেশের শক্তির সমন্বয় যতটা আকর্ষণীয়, বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জও ততটাই বড়। তিন দেশের ভৌগোলিক অবস্থান ভিন্ন। তাদের জাতীয় নিরাপত্তা অগ্রাধিকারও এক নয়। সৌদি আরবের প্রধান উদ্বেগ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও উপসাগরীয় স্থিতিশীলতা। পাকিস্তানের নিরাপত্তা ভাবনার বড় অংশ দক্ষিণ এশিয়াকে কেন্দ্র করে। আর তুরস্কের কৌশলগত স্বার্থ বিস্তৃত ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, ককেশাস ও মধ্য এশিয়া পর্যন্ত।

ফলে কোনো সংকটের মুহূর্তে তিন দেশ কতটা দ্রুত অভিন্ন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারবে, সেটিই হবে এই জোটের বড় পরীক্ষা।

শুধু একটি চুক্তি স্বাক্ষর করলেই শক্তিশালী সামরিক জোট তৈরি হয় না। প্রয়োজন যৌথ কমান্ড ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, নিয়মিত সামরিক মহড়া, গোয়েন্দা সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা বাজেটের সমন্বয়, প্রযুক্তি বিনিময় এবং সংকটকালে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা।

এই জায়গাগুলোতে অগ্রগতি হলে চুক্তিটি দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত জোটে পরিণত হতে পারে। অন্যথায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘোষণা হয়েই সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।

সংঘাত নয়, প্রতিরোধই হোক লক্ষ্য :

যে কোনো সামরিক জোটের প্রকৃত সাফল্য যুদ্ধ করার সক্ষমতায় নয়, যুদ্ধ ঠেকানোর সক্ষমতায়। সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের এই উদ্যোগ যদি কোনো আগ্রাসনকে নিরুৎসাহিত করে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা বাড়ায় এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা শক্তিশালী করে, তাহলে এটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

কিন্তু যদি এটি নতুন অস্ত্র প্রতিযোগিতা, আঞ্চলিক মেরুকরণ কিংবা পারস্পরিক অবিশ্বাস বাড়ানোর কারণ হয়, তাহলে এর ফল উল্টো হতে পারে।

বিশ্ব এখন এমনিতেই একাধিক সংঘাত, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং পরাশক্তিগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই সময়ে নতুন কোনো সামরিক জোটের দায়িত্ব শুধু নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করা নয়; বরং সংঘাত প্রতিরোধ ও কূটনৈতিক সমাধানের পথও খোলা রাখা।

মক্কা থেকে যে বার্তা :

সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি তাই কেবল তিনটি দেশের সামরিক সহযোগিতার ঘটনা নয়। এর মধ্যে রয়েছে বৃহত্তর একটি ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত।

সৌদি আরবের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক শক্তি, পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতা এবং তুরস্কের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি যদি একই কৌশলগত কাঠামোর মধ্যে কার্যকরভাবে সমন্বিত হয়, তাহলে এই অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতে মুসলিম বিশ্বের ভূরাজনৈতিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

তবে তার জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক আস্থা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং বাস্তব সহযোগিতা। মক্কার এই চুক্তি তাই শেষ কথা নয়। বরং এটি একটি সম্ভাবনার সূচনা।

বিশ্ব রাজনীতিতে যখন এককেন্দ্রিক ক্ষমতার পরিবর্তে বহুমেরুকেন্দ্রিক বাস্তবতা শক্তিশালী হচ্ছে, তখন সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের এই উদ্যোগ সেই পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন।

এখন প্রশ্ন একটাই—তিন দেশ কি এই চুক্তিকে কাগজের প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তব কৌশলগত শক্তিতে রূপ দিতে পারবে? তার উত্তরই নির্ধারণ করবে, মক্কার এই চুক্তি ইতিহাসে একটি সাময়িক ঘটনা হয়ে থাকবে, নাকি মুসলিম বিশ্বের নতুন ভূরাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করবে।

সম্পাদক, ইউরোবাংলা; প্রেসিডেন্ট : পর্তুগাল বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির ( PBCCI )

Home R3