পর্তুগালে বসবাসরত বিদেশি নাগরিকদের দেশটির সমাজে একীভূত করতে নতুন জাতীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী নভেম্বরেই ‘ন্যাশনাল ইন্টিগ্রেশন প্ল্যান’ অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্সি ও অভিবাসনবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রুই আরমিন্দো ফ্রেইতাস।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) পর্তুগালের সংসদে ২০২৭ সালের রাষ্ট্রীয় বাজেটের বিস্তারিত পর্যালোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় বিদেশিদের পর্তুগিজ ভাষা শেখা, দেশটির আইন মেনে চলা এবং স্থানীয় সমাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে পৌরসভা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজকে যুক্ত করবে সরকার।
প্রতিমন্ত্রী রুই আরমিন্দো ফ্রেইতাস বলেন, পর্তুগালকে বসবাসের জন্য বেছে নেওয়া প্রত্যেক বিদেশিকে দেশটির ভাষা শিখতে হবে, আইনকে সম্মান করতে হবে এবং সমাজের অংশ হওয়ার আন্তরিক আগ্রহ থাকতে হবে। সরকারের অভিবাসন একীভূতকরণ নীতিতে কোনো আপস করা হবে না বলেও জানান তিনি।
পরিকল্পনার অর্থায়ন প্রসঙ্গে দেশটির প্রেসিডেন্সিবিষয়ক মন্ত্রী জানান, অভিবাসীদের কাছ থেকে আদায় করা বিভিন্ন ফি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিবাসনবিষয়ক তহবিল থেকে এ কর্মসূচির ব্যয় নির্বাহ করা হবে।
এদিকে, পরিকল্পনাটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদনের আগেই বেশ কয়েকটি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভাষা ও সাংস্কৃতিক মধ্যস্থতাকারীর সংখ্যা বাড়ানো এবং অভিবাসী সংগঠনগুলোর জন্য অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ।
সরকারের এই উদ্যোগের মাধ্যমে পর্তুগালে বসবাসরত বিদেশিদের ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দেশটির সমাজের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা আরও জোরদার করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।