ইরান সরকারের সঙ্গে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের যোগাযোগের বিষয়টি স্বীকার করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই যোগাযোগ শান্তি আলোচনা শুরুর জন্য নয়, বরং ইরানে চিকিৎসাসামগ্রী ও মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। খবর মানিকন্ট্রোলের।
গত ২৮ অক্টোবর মার্কিন সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করতে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (এসএনএসসি) সেক্রেটারি মোহসেন রেজাইয়ের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন ভ্যান্স। ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেন ট্রাম্প।
রেজাই ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সাবেক কমান্ডার এবং দেশটির প্রভাবশালী কট্টরপন্থি নেতা হিসেবে পরিচিত। বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়, ভ্যান্সকে তেহরানের সঙ্গে পুনরায় আলোচনা শুরুর নির্দেশ দিয়েছিলেন কি না। জবাবে ট্রাম্প ‘না’ বলেন। তবে ভাইস প্রেসিডেন্টের ওই যোগাযোগে নিজের অনুমোদন দেওয়ার কথা স্বীকার করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ইরানের চিকিৎসাসামগ্রীসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তা প্রয়োজন। এ বিষয়ে ভ্যান্স তাঁর মতামত জানতে চাইলে তিনি সহায়তা পাঠানোর অনুমতি দেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, অসুস্থ মানুষদের সাহায্য করার জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠানোই ছিল এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
ইরান সরকারের সঙ্গে যোগাযোগকে মানবিক উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরেছেন ট্রাম্প। তবে এ ঘটনা থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, চলমান সংঘাতের মধ্যেও ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যোগাযোগের কিছু মাধ্যম সক্রিয় থাকতে পারে।