২রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

জাতীয়

যারা ‘আয়নাঘরের’ অস্তিত্ব গোপন করার চেষ্টা করেছে তাদেরও বিচার হবে: চিফ প্রসিকিউটর

যারা ‘আয়নাঘরের’ অস্তিত্ব গোপন করার চেষ্টা করেছে তাদেরও বিচার হবে: চিফ প্রসিকিউটর

দেয়াল তুলে কিংবা নতুন নির্মাণের মাধ্যমে যারা ‘আয়নাঘরের’ অস্তিত্ব গোপন করার চেষ্টা করেছেন, তাদেরও বিচারের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।

শনিবার (১ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের নিয়ে র‍্যাব-১ এর টিএফআই সেল পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, শুধু নথি-সাক্ষ্যের ওপর নির্ভর না করে বিচারকদের সরেজমিনে বাস্তব পরিস্থিতি দেখানোর জন্যই এ পরিদর্শন করা হয়েছে। পর্যবেক্ষণ একটি মেমোরেন্ডামে লিপিবদ্ধ হয়ে বিচারিক নথির অংশ হবে।

পরিদর্শনে ভবনের বিভিন্ন স্থানে নতুন দেয়াল তুলে আগের কাঠামো আড়াল করার আলামত পাওয়া গেছে। পরে দেয়াল অপসারণ করলে গোপন কক্ষের অস্তিত্ব ও নির্যাতনের চিহ্ন দেখা যায় বলে জানান তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, উত্তরার র‍্যাব-১ সদরদপ্তরের টিএফআই সেলে মোট ২২টি কক্ষ পাওয়া গেছে, যার কিছু এত ছোট যে সেখানে স্বাভাবিকভাবে শোয়া সম্ভব নয়। অভিযোগ রয়েছে, এসব কক্ষে আটক ব্যক্তিদের দীর্ঘসময় হাত-পা ও চোখ বেঁধে রাখা হতো এবং নির্যাতন চালানো হতো।

তিনি জানান, এখন পর্যন্ত প্রায় আড়াই শতাধিক গুম হওয়া ব্যক্তির খোঁজ মেলেনি। ভুক্তভোগীদের বর্ণনার সঙ্গে মিলিয়ে কয়েকটি কক্ষ শনাক্ত করা হয়েছে।

আইনগত বাধ্যবাধকতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করার নিয়ম থাকলেও এসব ক্ষেত্রে তা মানা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, মাঠপর্যায়ের পাশাপাশি নির্দেশদাতা ও তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের দায়ও ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি’ নীতিতে তদন্ত করা হচ্ছে। গুম, নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিচারাধীন রয়েছে।

Home R3