পর্তুগালের আলজেজুরের প্রত্যন্ত আবাসিক এলাকা ভালে দা তেলহায় অনিবন্ধিত অভিবাসীদের উপস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, গত সপ্তাহে মাদক চোরাচালানবিরোধী অভিযানে কয়েকজনকে আটক করা হলেও তাদের মধ্যে কয়েকজন এখনো ওই এলাকায় অবস্থান করছেন। অভিযানের সময় বৈধ কাগজপত্র থাকা ব্যক্তিদের পরিচয় যাচাই করা হয়। যাদের কাগজপত্র ছিল না, তাদের পরিচয়ও নথিভুক্ত করা হয়েছে। তবে কাউকেই এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, এসব ব্যক্তি সাগরপথে নতুন মাদকের চালানের অপেক্ষায় রয়েছেন। এ কারণে এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে।
স্থানীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন পোস্টে কয়েকজন মরক্কোর নাগরিককে বাড়ির বাগানে ঘুমাতে এবং এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। গুলির শব্দ শোনার কথাও কেউ কেউ জানিয়েছেন।
তবে এসব দাবির কোনোটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি। আলজেজুরের জাতীয় রিপাবলিকান গার্ডের (জিএনআর) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কর্মকর্তারা নতুন কোনো তথ্য দিতে পারেননি।
আরও কিছু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে ওই ব্যক্তিদের মাদক চোরাচালানের সঙ্গে সম্পৃক্ততার দাবি করা হয়েছে। এমনকি একটি পোস্টে জিএনআর একটি বাড়িতে জ্বালানি থাকার কথাও দাবি করা হয়েছে। তবে এসব তথ্যেরও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সব মিলিয়ে ভালে দা তেলহায় পরিস্থিতি নিয়ে এখনো পরিষ্কার কোনো চিত্র পাওয়া যায়নি। তবে অনিবন্ধিত অভিবাসীদের উপস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।
উপকূলীয় এলাকায় মাদক চোরাচালান ঠেকাতে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে একটি সমস্যার মুখে পড়তে হয়। সন্দেহভাজনদের কাছে মাদক না পাওয়া গেলে অনেক ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী তাদের দীর্ঘ সময় আটক রাখা সম্ভব হয় না। ফলে অভিযান শেষে তাদের ছেড়ে দিতে হতে পারে।