ফাইল ছবি
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংশোধনী নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, হেবা আইনে স্পর্শ করার ক্ষমতা ইহজাগতিক কারও নেই। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংশোধনীকে হেবা আইনের লঙ্ঘন বলে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন তিনি।
শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) যশোর শহরের পিটিআই হলরুমে আয়োজিত এক চাকরি মেলা উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বৃদ্ধ বাবা ও মায়ের সামাজিক ও পারিবারিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই মূলত ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে প্রয়োজনীয় এই সংশোধনী আনা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী হেবা বিধান কিংবা অন্য কোনো বিদ্যমান আইনের অধীনে দান, উইল বা বৈধভাবে সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এই নতুন সংশোধনী বিন্দুমাত্র বাধা সৃষ্টি করবে না। সংশোধনীর মূল অংশ না পড়েই স্বার্থান্বেষী একটি মহল অযথা বিতর্ক তৈরির অপচেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
‘ক্যারিয়ার হোক ক্ষুদ্রঋণ সেক্টরে, অবদান হোক দেশের উন্নয়নে’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) উদ্যোগে এই দিনব্যাপী চাকরি মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় দেশের ৩৭টি শীর্ষস্থানীয় ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এতে প্রায় ২২ হাজার প্রার্থীর আবেদনের বিপরীতে যাচাই বাছাই শেষে ১ হাজার ১১৫ জনকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরি দেওয়া হয়। নির্বাচিত প্রার্থীরা প্রধান অতিথির হাত থেকে সরাসরি নিয়োগপত্র গ্রহণ করেন।
মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির এক্সিকিউটিভ ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম এবং স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মেরিনা আক্তারসহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।