আফগানিস্তান এখন আর প্রক্সি যুদ্ধের ময়দান নয়। দেশটিকে ধ্বংস করা এবং নিজেদের অশুভ লক্ষ্য পূরণে তার ভাবমূর্তি বিকৃত করতে চাওয়া ষড়যন্ত্র ও গোয়েন্দা এজেন্ডা ব্যর্থ করে দেওয়ার পূর্ণ সক্ষমতা এখন আফগানিস্তানের রয়েছে।
আফগান কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তাদের গোয়েন্দা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং শত্রুপক্ষের জাল ভেদ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহে তারা সফল হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে নিরাপত্তা ও সামরিক কার্যক্রমে এই অগ্রগতির প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।
গত শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়ার কয়েকটি স্থাপনায় আফগান বিমানবাহিনীর সুনির্দিষ্ট হামলার পর এ দাবি সামনে আসে। আফগান সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব স্থাপনা সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রশিক্ষণকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল, যা দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠেছিল।
কর্মকর্তাদের মতে, এই অভিযানে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সক্ষমতা প্রমাণিত হয়েছে। একই সঙ্গে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো প্রতিপক্ষের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে স্পর্শকাতর তথ্য সংগ্রহ করতে পেরেছে, যা বড় ধরনের নিরাপত্তা সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আফগানিস্তান জানিয়েছে, ডুরান্ড রেখা সংলগ্ন এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রম এবং দেশটিকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনার প্রেক্ষাপটেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, এই অগ্রগতি শুধু অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদারই নয়, বরং আঞ্চলিক পর্যায়েও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এদিকে, এ বিষয়ে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সূত্র: হুরিয়াত রেডিও