ইউরোপের বিমানবন্দরগুলোতে নতুন বায়োমেট্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালুর ফলে সৃষ্ট জটিলতা এড়াতে নিয়ম শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে পর্তুগাল ও ইতালি। আসন্ন মে মাসের ছুটি ও গ্রীষ্মকালীন পর্যটন মৌসুম সামনে রেখে পর্যটকদের প্রবেশ সহজ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তারা ইতোমধ্যে গ্রিস-এর পদক্ষেপ অনুসরণের পরিকল্পনা করছে। এর আগে গ্রিস ব্রিটিশ পর্যটকদের সুবিধার্থে সাময়িকভাবে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি স্থগিত করে পর্যটন খাতকে সচল রাখার চেষ্টা করে।
বর্তমানে ‘এন্ট্রি অ্যান্ড এক্সিট সিস্টেম’-এর আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে থেকে আসা পর্যটকদের আঙুলের ছাপ ও মুখের স্ক্যান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে এই প্রক্রিয়ায় বড় বড় বিমানবন্দরে দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে, কোথাও কোথাও চার ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্ব হচ্ছে।
সম্প্রতি মিলান লিনাতে বিমানবন্দর-এ এমন পরিস্থিতির কারণে একটি ফ্লাইটের ১৫৬ জন যাত্রীর মধ্যে ১২২ জনই সময়মতো পৌঁছাতে না পেরে ফ্লাইট মিস করেন।
এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ইতালি ও পর্তুগাল ডিজিটাল বায়োমেট্রিক পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি পুরোনো ‘পাসপোর্ট স্ট্যাম্পিং’ পদ্ধতিতে ফিরে যাওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পর্যটকদের ভোগান্তি কমাতে শিগগিরই স্পেন, ফ্রান্স এবং ক্রোয়েশিয়া-ও একই ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে।
তথ্যসূত্র: দ্য স্ট্যান্ডার্ড