মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে হেরে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্রিস মারফি। তিনি দাবি করেছেন, এই যুদ্ধ যত দীর্ঘায়িত হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ততই দুর্বল হয়ে পড়ছে এবং ইরান প্রতিনিয়ত শক্তিশালী হয়ে উঠছে।
স্থানীয় সময় রোববার (৯ আগস্ট) মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিনেটর ক্রিস মারফি এসব মন্তব্য করেন।
সাক্ষাৎকারে মারফি স্পষ্ট করে বলেন, “আমেরিকা দিন দিন দুর্বল হচ্ছে এবং ইরান শক্তিশালী হচ্ছে।” যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধ করা এবং বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার ওপর জোর দিয়ে তিনি জানান, প্রয়োজনে যুদ্ধ থামাতে একটি ‘খারাপ চুক্তি’ মেনে নিতেও তিনি রাজি আছেন। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, আলোচনা থমকে থাকায় এবং সময় গড়াচ্ছায় হরমুজ প্রণালি চালুর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের চুকাতে হওয়া মূল্য প্রতিনিয়ত বাড়ছে।
মার্কিন পত্রিকা দ্য ওয়াশিংটন টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংঘাত বন্ধের শর্ত হিসেবে ইরান যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ প্রদান, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত সকল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং মার্কিন সামরিক অভিযান পুরোপুরি বন্ধের দাবি জানিয়েছে।
চলমান যুদ্ধের সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব তুলে ধরে ক্রিস মারফি বলেন, “যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়া জরুরি। কারণ প্রতিদিন যুদ্ধ চলতে থাকলে সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের এর মাশুল গুনতে হবে।” ইতোমধ্যে যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে বলেও তিনি জানান।
যুদ্ধ নীতি ও সামরিক বাজেট প্রসঙ্গে তিনি আরও জানান, এই যুদ্ধ দীর্ঘায়িত বা চালিয়ে যাওয়ার জন্য অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাবে তিনি বিরোধিতা করবেন। তবে যুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের depleted বা হ্রাস পাওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত পুনরায় পূরণ করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দে সমর্থন দেবেন।