১০ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বিচ্ছিন্নতা ভেঙে বিশ্বমঞ্চে এগোচ্ছে ইমারাতে ইসলামিয়া

আজকের বিশ্বে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক আর স্লোগান বা আবেগপ্রবণ অবস্থানের ওপর গড়ে ওঠে না। বরং পারস্পরিক স্বার্থ, রাজনৈতিক বাস্তবতা ও অর্থনৈতিক বিবেচনাই এখন রাষ্ট্রগুলোর সম্পর্ক পরিচালনার মূল ভিত্তি হয়ে উঠেছে। এই বাস্তবতা থেকেই রাষ্ট্রগুলো বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যতের প্রয়োজন বিবেচনায় নিজেদের অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছে।

গত কয়েক দশকে যুদ্ধ, সংঘাত ও আন্তর্জাতিক চাপের কারণে আফগানিস্তানের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে বর্তমান সময়ে ইমারাতে ইসলামিয়ার নেতৃত্বে দেশটির কূটনৈতিক তৎপরতা ক্রমেই বাড়ছে। এর লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আফগানিস্তানের উপস্থিতি শক্তিশালী করা এবং রাজনৈতিক বিচ্ছিন্নতার গণ্ডি থেকে দেশকে বের করে আনা। এ জন্য বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সংলাপ ও সহযোগিতার সেতুবন্ধন সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

কুয়েতের পক্ষ থেকে ইমারাতে ইসলামিয়াকে কূটনৈতিক দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্তকে আফগানিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতার স্বীকৃতি বাড়ার গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কুয়েত ভারসাম্যপূর্ণ নীতি ও অঞ্চলে বিস্তৃত সম্পর্কের জন্য পরিচিত। দেশটি সাধারণত রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার প্রয়োজনীয়তা বাস্তবতার আলোকে মূল্যায়ন করেই এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়।

গত কয়েক বছরে ইমারাতে ইসলামিয়া রাজনৈতিক চাপ, অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ ও গণমাধ্যমকেন্দ্রিক প্রচারণার মুখোমুখি হয়েছে। তবুও তারা কয়েকটি দেশের সঙ্গে যোগাযোগের পথ খোলা রাখতে সক্ষম হয়েছে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পৃক্ততার পরিসরও বিস্তৃত করেছে।

Home R3