২১শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

রাজনীতি

দাঁড়িপাল্লার প্রচারণার কারণে সাইবার বুলিংয়ের ১০০ গুন বেড়েছে : ডা. মাহমুদা মিতু

দাঁড়িপাল্লার প্রচারণার কারণে সাইবার বুলিংয়ের ১০০ গুন বেড়েছে : ডা. মাহমুদা মিতু

জামায়াতকে সমর্থন দিয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালানোর পর প্রতিপক্ষ দলের সাইবার বুলিং আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতু। এসব হেনস্তার জন্য তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে দায়ী করেন। একই সঙ্গে সাইবার বুলিং মোকাবেলায় পাড়া-মহল্লা ভিত্তিক ‘এন্টি সাইবার বুলিং কমিটি’ গঠনের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে সামজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।

মাহমুদা মিতু তার পোস্টে লিখেছেন, জামায়াতকে সাপোর্ট দিয়ে দাঁড়িপাল্লার প্রচারণার কারণে আমার উপর প্রতিপক্ষ দলের নানা নোংরামি এবং সাইবার বুলিং বেড়েছে। আমার প্রতিটা হ্যারাসমেন্টের জন্য ,নোংরা কমেন্টের জন্য তারেক রহমান তার কর্মীদের সমপরিমাণ দায়ী। উনি সংগঠনকে নুন্যতম কন্ট্রোল করেন না। নির্দেশনা দেন না। প্রিয় ভাইয়েরা আমি আর ও বলবো। রাজনীতি শুরুর পর থেকে শান্তিতে থাকতে দেয় নাই। অকারণ না চিনেই বরিশাল হামলা করছিলো সেই থেকে শুরু।

তিনি আরও বলেন, জোটে আমি জামায়াতকে সাপোর্ট দেয়ার কারনে নোংরামি ১০০ গুন বেড়েছে। প্রিয় ভাইয়েরা শুধু পাশে থাইকেন। আমি আমার লড়াই বন্ধ করবো না। এদের সকল কুকর্ম নিয়ে আমি আমার কন্ঠস্বর আরও উচু করবো। আমার উপর হামলা আসলে নোংরামি আসলে জাস্ট বোনটাকে মনে রাইখেন। আমাকে মেরে ফেললে ,চরিত্র হরন করলে প্রতিবাদ কইরেন। কথা বলা বন্ধ কইরেন না। এমনকি কাছের চেনা পরিচিতরাও দাড়িপাল্লার স্লোগান দেখে পল্টি মারছে। এখন আমি খারাপ হয়ে গেছি। জাস্ট প্রতিবাদ জারি রাইখেন।

এরআগে সাইবার বুলিং নিয়ে আরও একটি ফেসবুক পোস্টে করেন তিনি। ওই পোস্টে জামায়াত ইসলামের সেক্রেটারি জেনারলে মিয়া গোলাম পরওয়ারের সঙ্গে একটি ছবিও সংযুক্ত করেন তিনি৷ পোস্টে মাহমুদা মিতু লেখেন, ওই পোস্টে তিনি বলেছেন, নারীদের রাজনৈতিক পথে প্রতিপক্ষের কাছে একটাই অস্ত্র চরিত্র হরণ আর নোংরা গালি ,নোংরা ছবি এডিট। নোংরা ন্যারেটিভ। বুলিং এর কারনে মেয়েরা আত্মহত্যা ও করেছে এমন দৃষ্টান্ত ও আছে।

এন্টি সাইবার বুলিং কমিটি গঠনের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ইনশাআল্লাহ, দায়িত্ব পেলে সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে সবচেয়ে জোড়ালো কন্ঠস্বর আমি হবো। পাড়ায় মহল্লায় এন্টি সাইবার বুলিং কমিটি গঠন করবো। কোনো মেয়ে যদি প্রমাণ দিতে পারে যে তাকে নোংরা কমেন্ট করা হয়েছে আমিই হবো তার প্রতিবাদের কন্ঠস্বর ইন শা আল্লাহ এবং সেই ছেলে বা মেয়ের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করব, ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরও বলেন, সাইবার বুলিং এর বিরুদ্ধে রুখে দাড়ান। আপনাদের বোনদের বাঁচান। আজ যে বুলিং করার সাহস পায় ,মানসিকতা অর্জন করে কাল সে ধর্ষণের মানসিকতা ও অর্জন করবে।

Home R3