কওমী মাদরাসার শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে ‘স্কিল ডেভেলপমেন্ট’ প্রকল্প চালু করছে বাংলাদেশ কওমী মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ।
শনিবার (০২ মে) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কওমী মাদরাসার শিক্ষার্থী ও আলেমদের বিভিন্ন পেশায় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে তুলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করে কারিগরি, ভাষা, ব্যবস্থাপনা ও উদ্যোক্তা বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
বেফাক জানায়, এই প্রকল্পের মাধ্যমে কওমী অঙ্গনের জনশক্তিকে দক্ষ ও মানবসম্পদে রূপান্তর করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হবে।
আজ শনিবার বেফাক সভাপতি মাওলানা মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে মজলিসে খাসের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন— মাওলানা সাজিদুর রহমান, মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, সিনিয়র সহসভাপতি মাওলানা আব্দুল হামীদ পীর সাহেব, সহসভাপতি মাওলানা মুশতাকীন গহরপুরী, মুফতি মনজুরুল হক, মাওলানা আনাস মাদানী, মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া, মুফতি জাফর আহমদ পীর সাহেব, ঢাকার নগরী মাওলানা নোমানুল হক ফরিদী, মাওলানা রফিকুল আমীন খান উদ্দীনি, মাওলানা শরাফত হোসাইন সরকার, মাওলানা শাব্বির আহমদ রশীদ এবং কোষাধ্যক্ষ মাওলানা নিকুঞ্জ্জামানসহ অন্যান্য দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ।
বেফাকের নিয়মিত এ সভায় বিভিন্ন সাব কমিটির রেজুলেশন পাঠ ও অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় দেশের অনগ্রসর এলাকার বেফাকভুক্ত মাদরাসায় ইস্তেঞ্জাখানা তৈরির চলমান প্রকল্পের রিপোর্ট পেশ করা হয়। এতে ১০০টি মাদরাসায় ইস্তেঞ্জাখানা তৈরির জন্য ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
আলোচনায় উঠে আসে যে, বর্তমান কমিটির কার্যকালে এ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি দেওয়া হয়েছে ১০ কোটি টাকার বেশি। আগামী মাসের শুরু থেকে চলতি বছরের মেধাবৃত্তি বিতরণ শুরু হবে।
সভায় কওমী শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক বৈশিষ্ট্য অক্ষুন্ন রেখে কওমী সনদের স্বীকৃতি বাস্তবায়নে কর্মরত কমিটিকে কাজের ধারাবাহিকতা ও কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রাখার তাগিদ দেওয়া হয়।