থাইল্যান্ডের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ও দেশে স্থায়ী বসবাসের বৈধ প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ঢাকার রয়্যাল থাই দূতাবাস জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মটি সাধারণ ট্যুরিস্ট বা পর্যটন ভিসার জন্য প্রযোজ্য নয়। এটি কেবল ‘ডেস্টিনেশন থাইল্যান্ড ভিসা’ বা ডিটিভি আবেদনের ক্ষেত্রে কার্যকর করা হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) থেকে কার্যকর হওয়া এ নির্দেশনায় পর্যটন, চিকিৎসা ও অবসরকালীন ভিসাসহ অন্যান্য ক্যাটাগরিতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। এসব ক্ষেত্রে আগের নিয়মই বহাল রয়েছে।
দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডিজিটাল নোম্যাড, ফ্রিল্যান্সার ও দূরবর্তী কর্মীদের জন্য চালু থাকা দীর্ঘমেয়াদি ডিটিভি ভিসার ক্ষেত্রে দুটি অতিরিক্ত নথি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আবেদনকারী বর্তমানে যে দেশে অবস্থান করছেন, সেখানে তার স্থায়ী বা বৈধ বসবাসের সরকারি প্রমাণপত্র এবং নিজ দেশ অথবা স্থায়ী বসবাসের দেশ থেকে ইস্যু করা হালনাগাদ পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে।
এই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদটি মূল ভাষার পাশাপাশি নোটারি পাবলিক ও দক্ষ অনুবাদক দিয়ে প্রত্যয়িত ইংরেজি অনুবাদসহ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। অনুবাদ ছাড়া আবেদন জমা দিলে তা সরাসরি বাতিল করা হবে। মূলত বাংলাদেশ থেকে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এই ভিসা পাইয়ে দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করায় এ সংক্রান্ত কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, সাধারণ ট্যুরিস্ট ভিসার ক্ষেত্রে আগের মতোই নির্ধারিত নথিপত্র লাগবে। এর মধ্যে রয়েছে—কমপক্ষে ৭ মাসের মেয়াদসহ পাসপোর্ট ও পুরোনো পাসপোর্ট, ৩৫ মিমি × ৫০ মিমি সাইজের সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের ছবি, ভিজিটিং কার্ড, অনাপত্তিপত্র (এনওসি), পরিবারসহ ভ্রমণের ক্ষেত্রে বৈবাহিক সনদ, প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র, গত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা পে স্লিপ, ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট এবং জাতীয় পরিচয়পত্র।