বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসরাইল-এর অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও জনমতে চরম অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। সরকারের নিয়ন্ত্রণহীনতা ও নীতিনির্ধারণী ব্যর্থতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ ও হতাশা।
বিশেষ করে ইরান ইস্যু এবং লেবানন সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের অবস্থানকে দুর্বল বলে মনে করছেন অনেক নাগরিক। লেবাননে পুনরায় যুদ্ধ শুরুর মতো কিছু জনদাবি পূরণে ব্যর্থতা নিয়েও মানুষের মধ্যে এক ধরনের আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সংকটময় সময়ে সরকার জনগণের নিরাপত্তা ও প্রত্যাশাকে যথাযথ গুরুত্ব দিতে পারছে না।
ইসরাইলি গণমাধ্যমগুলোতে সেনাবাহিনী ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে নিয়মিত উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। লেবানন সীমান্তে সামরিক কার্যক্রম ঘিরে ঘরবাড়ি ধ্বংস, লুটপাট এবং শৃঙ্খলা ভঙ্গের মতো অভিযোগও সামনে আসছে।
যদিও সেনাবাহিনীর প্রতি জনমনে কিছুটা আস্থা এখনও রয়েছে, তবে রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। বিশেষ করে উত্তর সীমান্তে চলমান সংকট মোকাবিলায় সরকারের কোনো সুস্পষ্ট পরিকল্পনা না থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।
সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে হিজবুল্লাহ-কে নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি। তবে এ লক্ষ্য কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে সরকার এখনো কার্যকর কোনো রূপরেখা দিতে পারেনি।
ফলে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের পাশাপাশি সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
সূত্র: আল জাজিরা