দেশের বাজারে আবারও বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। সবশেষ সমন্বয়ের পর আজ বুধবার (১ এপ্রিল) থেকে নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে মূল্যবান এই দুই ধাতু।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) দাম বৃদ্ধির কারণে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সেদিন ভরিতে মূল্যবান ধাতু দুইটির দাম যথাক্রমে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা ও ৩৫০ টাকা বাড়িয়েছে সংগঠনটি। একই দিন সকাল ১০টা থেকে এ দাম কার্যকর হয়।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এর আগে, সবশেষ ২৮ মার্চ বিকেলে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ৪ হাজার ৪৩৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩০ হাজার ৪২২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন বিকেল ৪ টা থেকেই।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫০ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ২৯ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২১ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সঙ্গে মঙ্গলবার দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে রুপার দামও। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৭১৫ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৪৯৯ টাকায় বেচকেনা হচ্ছে।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৩০ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ১৭ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ১৩ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।