সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট তেল পাইপলাইনে সাম্প্রতিক ড্রোন হামলায় ব্যবহৃত একটি উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম জব্দ করার কথা জানিয়েছে ইরাকি কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দেশটির নিরাপত্তা মিডিয়া সেলের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল সাদ মান জানান, একটি বিশেষ গোয়েন্দা দল উৎক্ষেপণ সরঞ্জামটি শনাক্ত করেছে।
এ ছাড়া ইরাকের অনুরোধে সৌদি আরব আপাতত কোনো পাল্টা সামরিক জবাব না দিয়ে রাজনৈতিক সমাধানের সুযোগ দিচ্ছে।
দক্ষিণ-পূর্ব ইরাকের মায়সান প্রদেশ থেকে ড্রোনগুলো ছোড়া হয়েছিল বলে জানা গেছে, যা ইরান সীমান্তের বেশ কাছাকাছি অবস্থিত। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, লক্ষ্যবস্তুগুলো প্রায় ৮০০ থেকে ১১০০ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় এই হামলায় উন্নত ও দূরপাল্লার ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ঘটনার পর বাগদাদ ইরানের সাথে বেশ কয়েকটি সীমান্ত ক্রসিং সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয় এবং একই সাথে প্রধানমন্ত্রী মায়সান প্রদেশের সামরিক কমান্ডার ও পুলিশ প্রধানকে বরখাস্ত করে পুরো সীমান্ত অঞ্চলের সামরিক নেতৃত্বে বড় রদবদল আনেন।
হামলার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ৪ থেকে ৫ শতাংশ বহনকারী এই গুরুত্বপূর্ণ পাইপলাইনটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ইরাক সরকার জানিয়েছে, তারা কোনোভাবেই নিজেদের ভূমি অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে আক্রমণের ঘাঁটি বা ‘প্রক্সি যুদ্ধ’ ক্ষেত্র হতে দেবে না। বর্তমানে এ ঘটনার নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে বাগদাদ, রিয়াদ ও তেহরানের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও তদন্ত কার্যক্রম চলছে।