১৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বিবিধ

সৌদির অর্থ, তুরস্কের প্রযুক্তি, পাকিস্তানের পরমাণু শক্তি; নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে ভারতের

সৌদির অর্থ, তুরস্কের প্রযুক্তি, পাকিস্তানের পরমাণু শক্তি; নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে ভারতের

সৌদি আরবের বিপুল অর্থ, তুরস্কের উন্নত সামরিক প্রযুক্তি এবং পাকিস্তানের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে গঠিত না হলেও এই ত্রিদেশীয় উদ্যোগ দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত পরিস্থিতিতে বড় প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে ভারতীয় সামরিক ও কূটনৈতিক মহলে এ নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, যেকোনো এক সদস্য দেশে হামলাকে তিন দেশের ওপরই হামলা হিসেবে গণ্য করার কথা বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরব তাদের বিপুল তেলসম্পদ দিয়ে অর্থায়নের সুযোগ দেবে, তুরস্ক ড্রোন ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধের প্রযুক্তি সরবরাহ করবে এবং পাকিস্তান অভিজ্ঞ সামরিক বাহিনীসহ পারমাণবিক প্রতিরোধক্ষমতা যুক্ত করবে। তুরস্কের বায়রাকতার টিবি২ ড্রোন ও অত্যাধুনিক অস্ত্র ভবিষ্যতে পাকিস্তানের কাছে হস্তান্তরিত হলে তা দিল্লির নিরাপত্তার জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে মনে করেন ভারতীয় সামরিক পর্যবেক্ষকরা।

অন্যদিকে, ভারতের সঙ্গে সৌদি আরবের বৃহৎ বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকায় রিয়াদকে সতর্ক কূটনীতি রক্ষা করতে হবে। তবে বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার ওপর নির্ভরশীলতার ঝুঁকি হ্রাস এবং ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটেই এই জোটের উত্থান। এমনকি ভবিষ্যতে এই জোটে মিসরের মতো সামরিক শক্তির অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রেখে ভারতও গ্রিস, সাইপ্রাস ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো কৌশলগত অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদার করছে।

Home R3