৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

প্রস্তাবিত শ্রম আইন বাতিলের দাবিতে পর্তুগালে ব্যাপক ধর্মঘট

সরকারের প্রস্তাবিত নতুন শ্রম আইনের বিরুদ্ধে সাধারণ ধর্মঘটে অচল হয়ে পড়েছে পর্তুগাল। কর্মীদের অধিকার ক্ষুণ্ন করবে এমন অভিযোগে সরকারের প্রস্তাবিত শ্রম আইন বাতিলের দাবিতে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয় শ্রমিক সংগঠন সিজিটিপি।

স্থানীয় সময় বুধবার (৩ জুন) ধর্মঘটের কারণে হাসপাতাল ও ফায়ার সার্ভিসের মতো জরুরি সেবা সীমিতভাবে চালু থাকলেও বন্ধ হয়ে যায় মেট্রোরেল, দূরপাল্লার ট্রেনসহ অধিকাংশ সরকারি ও পরিবহন কার্যক্রম।

রাজধানী লিসবন থেকে কোনো দূরপাল্লার ট্রেন চলাচল করেনি এবং শহরেও ট্রেন প্রবেশ বন্ধ ছিল। অনেক যাত্রী স্টেশনে এসে ট্রেন বাতিলের খবর পেয়ে ফিরে যান। ধর্মঘট সফল করতে বিভিন্ন স্টেশনে সক্রিয় ছিলেন শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যরা।

ধর্মঘটের কারণে মধ্যরাত থেকেই লিসবনের মেট্রোরেল স্টেশনগুলোর প্রবেশপথ বন্ধ রাখা হয়। সীমিত আকারে বাস চললেও যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে। গণপরিবহন সংকটের কারণে অনেক কর্মজীবী, বিশেষ করে অভিবাসীরা, ভোগান্তিতে পড়েন।

লিসবন বিমানবন্দরে ধর্মঘটের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ে, যেখানে পাঁচ শতাধিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এতে বিপাকে পড়েন অসংখ্য যাত্রী। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন শহরে নার্স, চিকিৎসক, শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষও ধর্মঘটে অংশ নেন, ফলে বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়।

শ্রমিক সংগঠন সিজিটিপির নেতারা বলেন, শ্রমিকদের ব্যাপক অংশগ্রহণ প্রমাণ করে প্রস্তাবিত আইন জনস্বার্থবিরোধী। সংগঠনের জেনারেল সেক্রেটারি তিয়াগো অলিভেইরা বলেন, ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে এই অন্যায্য আইন বাতিল করতে সরকারকে বাধ্য করা হবে।

সূত্র: রয়টার্স

Home R3