ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় শোক ও দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম উইয়ন নিউজ জানিয়েছে, এই শোকানুষ্ঠানে ভারতের পক্ষ থেকে কে প্রতিনিধিত্ব করবেন, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের বিমান হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তার মৃত্যুর পর ভারত সরকারের পক্ষ থেকে সমবেদনা জানাতে পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিসরি নয়াদিল্লিতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাসে গিয়ে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেন।
ভারত ইরানকে তার বিস্তৃত প্রতিবেশী অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করে এবং দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক সম্পর্ক বিদ্যমান। পশ্চিম এশিয়ায় সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর একাধিকবার ইরানি নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
এদিকে, নাজুক যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ব্রিকস পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লি সফর করেন। সফরকালে তিনি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ব্রিকস-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বৈঠকে অংশ নিতে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা একাধিকবার ভারত সফর করেছেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, আগামী ৪ জুলাই রাজধানী তেহরানে শোকানুষ্ঠান শুরু হবে, যা চলবে ৬ জুলাই পর্যন্ত। এরপর ৭ জুলাই অনুষ্ঠানটি পবিত্র কোম নগরীতে স্থানান্তর করা হবে এবং ৯ জুলাই খামেনির জন্মস্থান উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে।