ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও দলের সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম বলেছেন, বাংলা নববর্ষ এবং পহেলা বৈশাখ উদযাপনের নামে রাষ্ট্রীয়ভাবে হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি প্রচার বন্ধ করতে হবে। তিনি বলেন, মঙ্গল-শোভাযাত্রা একটি বিশেষ ধর্মের প্রতি ইঙ্গিত বহন করে এবং দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র ও ধর্মীয় মূল্যবোধের বিরুদ্ধে গভীর চক্রান্ত বহন করে।
মাওলানা কাইয়ুম আরও বলেন, মঙ্গল-শোভাযাত্রার মাধ্যমে পৌত্তলিকতা এবং কলকাতাকেন্দ্রিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে, যা দেশের ৯০ ভাগ মুসলমানের সংস্কৃতির সঙ্গে মানায় না। পহেলা বৈশাখের আয়োজন থেকে ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক সবকিছু বাদ দিতে হবে।
তিনি এই মন্তব্যগুলি করেন বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) পুরানা পল্টনস্থ ঢাকা মহানগর কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের জোনভিত্তিক জিম্মাদারদের সভায়। সভার সঞ্চালনা করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিন সেক্রেটারী মোঃ আব্দুল আউয়াল মজুমদার। সভায় অংশ নেন মাওলানা কেএম শরীয়াতুল্লাহ, অধ্যাপক ফজলুল হক মৃধা, মাওলানা নজরুল ইসলাম, প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম খোকন, মাওলানা জিয়াউল আশরাফ, শেখ আবু তাহের, মাওলানা নাযীর আহমদ শিবলী, মাওলানা নিজামুদ্দিন, মাওলানা গোলামুর রহমান আজম ও হাফেজ সালাউদ্দিন প্রমুখ।
মাওলানা কাইয়ুম বলেন, “বাংলা বর্ষবরণ মূলত বাঙালির নিজস্ব সাল গণনাসংক্রান্ত উৎসব। গ্রামবাংলার রীতিতে এটি ঐতিহ্যবাহী ও প্রাকৃতিক ছোঁয়া বহন করত। কিন্তু নানা সময়ে পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে মুসলিম বিশ্বাসবিরোধী সংস্কৃতির বিস্তার ঘটানো হয়েছে। বিশেষ করে পতিত স্বৈরাচারের আমলে মঙ্গল-শোভাযাত্রার মাধ্যমে কলকাতার উচ্চবর্ণীয় হিন্দু সংস্কৃতির প্রভাব বিস্তার করা হয়েছে, যা দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর অনুভূতিতে আঘাত করেছে।”