কান্দাহার প্রদেশে আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্ব ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নয়টি প্রদেশের গভর্নর, উলামা কাউন্সিলের প্রধান, আপিল আদালতের প্রধান, গোত্রীয় প্রবীণ ব্যক্তি ও আলেমদের সঙ্গে এক বৈঠকে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ নেতা শাইখুল হাদিস মাওলানা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা বলেছেন, ২০২১ সালে ইমারাতে ইসলামিয়া ক্ষমতায় ফেরার পর ঘোষিত সাধারণ ক্ষমার লক্ষ্য ছিল প্রতিশোধের পথ বন্ধ করা এবং সারা দেশে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সহায়তা করা।
এক বিবৃতিতে ইমারাতে ইসলামিয়ার উপ-মুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত এ তথ্য জানিয়েছেন।
বৈঠকে মাওলানা আখুন্দজাদা বলেন, ইমারাতে ইসলামিয়া তার যোদ্ধাদের নির্দেশ দিয়েছিল, তারা যেন সাবেক সরকারের কর্মকর্তা, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য অথবা আগের প্রশাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কারও বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে না যায়।
তিনি বলেন, “আমরা মুজাহিদদের প্রতিশোধ নেওয়া থেকে বিরত রেখেছি এবং তাদের তা করতে নিষেধ করেছি। আমরা তাদের বলেছি, তোমরা অস্ত্র সমর্পণ করো; আমরা তোমাদের হত্যা করব না এবং তোমাদের জবাবদিহির মুখোমুখি করব না। তারা অস্ত্র সমর্পণ করেছে এবং আমরা তাদের ক্ষমা করে দিয়েছি।”
২০২১ সালের আগস্টে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কিছুদিন পরই সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়। এর মধ্য দিয়ে পশ্চিমা সমর্থিত সাবেক সরকার ও ইমারাতে ইসলামিয়ার মধ্যে দুই দশকের সংঘাতের অবসান ঘটে। ক্ষমতা হস্তান্তরের সময়ে পুনর্মিলনকে উৎসাহিত করা এবং আরও রক্তপাত ঠেকানোর প্রচেষ্টা হিসেবে কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপ তুলে ধরে।