২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

স্ত্রী-দুই সন্তান ও ড্রাইভারসহ সড়কে প্রাণ হারালেন মুফতি আব্দুল মুমিন

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কালাকচুয়া এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে একই পরিবারের পাঁচজন নিহত হয়েছেন।

প্রাইভেটকারের চালক বরিশালের জামাল হোসেন (৫২), জামি’আ মুহাম্মাদিয়া আরাবিয়া, মোহাম্মদপুর, ঢাকা মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস ও প্রধান মুফতি আব্দুল মুমীন (৫০), তার স্ত্রী ঝর্না বেগম (৪০), ছেলে সাইফ (৭) ও মেয়ে লাবিবা (১৮)। তাদের বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার চাতারপাইয়া গ্রামে। ঈদের ছুটি শেষে গ্রামের বাড়ি থেকে ঢাকার মাদ্রাসার ফেরার পথে এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।

এদিকে, মুফতি আব্দুল মুমীনের আরেক ছেলে আবরার (১২) ময়নামতি আর্মি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সে শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

পুলিশ জানায়, ঢাকাগামী স্টার লাইন পরিবহনের একটি দ্রুতগতির বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্যক্তিগত গাড়িতে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। নিহতদের মধ্যে মুফতি আব্দুল মোমেন, তার স্ত্রী ঝর্ণা, দুই সন্তান লাবিবা ও আরশাদ এবং গাড়ির ড্রাইভার রয়েছেন।

ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মোমেন জানিয়েছেন, দুর্ঘটনা মাগরিবের আজানের ১৫ মিনিট আগে কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে ঘটে। বাসের চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে; তবে বাসটি শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক নিহতদের পরিবারের প্রতি শোক প্রকাশ করেছেন। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই দুর্ঘটনার ঘটনায় দুঃখ ও সমবেদনা জানাচ্ছেন।