বাংলাদেশের রাজধানী মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের শুনানি শুরু হয়েছে।
সোমবার (১ জুন) সকালে কারাগার থেকে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে তাদের তোলা হলে শুনানি শুরু হয়।
এ সময় আসামি সোহেল রানা সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, তিনি একা দোষী নন এবং ঘটনার সঙ্গে ‘ডলার’ নামের আরেক ব্যক্তির সম্পৃক্ততা রয়েছে। তার দাবি অনুযায়ী, ওই ব্যক্তি তাকে টাকা দিয়ে প্ররোচিত করেছে এবং ঘটনার মূল দায় তার ওপর চাপানো হচ্ছে।
এর আগে গত ২৪ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণের পর হত্যার এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়। মামলায় মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
তদন্ত শেষে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে আজ চার্জ গঠনের শুনানির দিন ধার্য করেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকালে শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর তাকে একটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। পুলিশ পরবর্তীতে প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।
রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে, যদিও চূড়ান্ত বিচারিক প্রক্রিয়া আদালতের ওপর নির্ভরশীল।