বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসী পাচার চক্রের সদস্যদের ৮৪ বছরের বেশি কারাদণ্ড

যুক্তরাজ্য থেকে ফ্রান্সে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসী পাচারের দায়ে একটি চক্রের সদস্যদের মোট ৮৪ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিয়েছেন ব্রিটিশ আদালত।

চক্রটি বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও পাকিস্তানের নাগরিকদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১ হাজার ৮০০ ডলার নিয়ে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে ফ্রান্সে পাঠানোর ব্যবস্থা করত। বৈধ ভিসায় যুক্তরাজ্যে প্রবেশের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশে অবৈধভাবে কাজ করতে আগ্রহীরা এই চক্রের সহায়তা নিতেন।

যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) জানায়, ২১ সদস্যের চক্রটির বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ১০টি পাচারচেষ্টা নস্যাৎ করা হয়। এ সময় ১৯৬ জন অভিবাসীকে আটক করা হয়।

চক্রটির নেতৃত্বে থাকা ৪৪ বছর বয়সী সুহাল আহমেদকে সাড়ে আট বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাঁর সহযোগী সুহেল আহমেদকে সাত বছর এবং অভিবাসীদের পরিবহনে যুক্ত অন্য কয়েকজনকে পাঁচ থেকে ছয় বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এনসিএর জ্যেষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তা জন টার্নার বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে একটি বড় মানবপাচারকারী নেটওয়ার্কের সংগঠক ও পরিবহনে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। ইংলিশ চ্যানেলের যেকোনো দিক দিয়ে মানুষ পাচার করে অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করলে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

যুক্তরাজ্য থেকে ফ্রান্সে অবৈধভাবে অভিবাসী পাঠানোর এই প্রবণতা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেড়েছে। বিশেষ করে পর্যটক ভিসায় যুক্তরাজ্যে প্রবেশের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে কিছু অভিবাসী এ ধরনের চক্রের সহায়তা নিচ্ছেন।

Home R3