১৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বাংলাদেশ
এনডিটিভির প্রতিবেদন

আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ পেলেও সফরটি আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও নিশ্চিত করেনি বাংলাদেশ। তবে ভারতের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক বিশেষ প্রতিবেদনে দাবি করেছে, আগামী সপ্তাহের শেষ দিকে প্রথমবারের মতো দ্বিপক্ষীয় সফরে নয়াদিল্লি যেতে পারেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান। বৈঠকে বাণিজ্য, আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি, জ্বালানি সহযোগিতা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তাসহ স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। বর্তমানে সফরের বিস্তারিত সূচি চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সরকার গঠনের পরপরই তারেক রহমানকে দিল্লি সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছিল ভারত।

২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দুই নিকটবর্তী প্রতিবেশীর সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থান এবং যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর তাঁকে ফেরত পাঠানোর দাবিকে কেন্দ্র করে সম্পর্কে জটিলতা দেখা দেয়। তবে বর্তমান সরকার পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমতার ভিত্তিতে দিল্লির সঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। সম্পর্কের বরফ গলাতে গত এপ্রিলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান দিল্লি সফর করেন এবং সম্প্রতি ১০ আগস্ট ঢাকায় তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন বৈঠকে তিস্তা ও গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। ১৯৯৬ সালের ঐতিহাসিক গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হতে যাওয়ায় তা নবায়নের তাগিদ রয়েছে ঢাকার। এ ছাড়া বাণিজ্য ও ট্রানজিট সুবিধা সম্প্রসারণে বৃহত্তর সহযোগিতার প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ।

অন্যদিকে, ভৌগোলিক অবস্থান ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে নিরাপদ যোগাযোগের স্বার্থে ঢাকার সঙ্গে স্থিতিশীল ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব বজায় রাখাকে কৌশলগত অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছে দিল্লি।

Home R3