১৬ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

পর্তুগাল ও স্পেনে দাবানলের মূলে রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন : জাতিসংঘ

স্পেন ও পর্তুগালে ভয়াবহ দাবানলে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। সংস্থাটি বলেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে এমন দুর্যোগ বাড়ছে।

জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক প্রধান সাইমন স্টিয়েল এই প্রসঙ্গে বলেন, দাবানলে মানুষ মারা যাচ্ছে। অনেক পরিবার ঘরছাড়া হচ্ছে। ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস হচ্ছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সংবাদ সংস্থা অ্যালায়েন্স অফ মেডিটেরিয়ানের প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

তিনি বলেন, এসব ঘটনা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের অংশ। প্রতি বছর এমন দুর্যোগ আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। কয়লা, তেল ও গ্যাস পোড়ানোর কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ছে। এর ফলে আগুন, বন্যা ও অন্যান্য দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ছে।

তিনি বলেন, এখনই ব্যবস্থা নিতে হবে। তেল, গ্যাস ও কয়লার ব্যবহার কমিয়ে পরিষ্কার জ্বালানির দিকে যেতে হবে। পাশাপাশি বন রক্ষা করতে হবে।

জাতিসংঘ বলেছে, পরিষ্কার জ্বালানি ব্যবহার করলে পরিবেশ রক্ষা হবে। একই সঙ্গে নতুন কাজের সুযোগ তৈরি হবে এবং জ্বালানি ব্যবস্থাও আরও নিরাপদ হবে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে স্পেন ও পর্তুগালে প্রচণ্ড গরম পড়ছে। অনেক জায়গায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে। এর কারণে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ একসঙ্গে কাজ করছে। জরুরি সহায়তার জন্য ইউরোপীয় সহযোগিতা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

পর্তুগালে সবচেয়ে বড় আগুন লাগে ২ জুলাই ভিসেউ অঞ্চলের ভুজেলা এলাকায়। মাত্র তিন দিনে আগুনে ১৫ হাজার হেক্টরের বেশি জমি পুড়ে যায়।

স্পেনে সবচেয়ে ভয়াবহ আগুন ছড়িয়ে পড়ে আন্দালুসিয়ার আলমেরিয়া এলাকায়। প্রবল বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ১৩ জন মারা যান। প্রায় ৭ হাজার হেক্টর এলাকা পুড়ে যায়।

সূত্র : অ্যালায়েন্স অফ মেডিটেরিয়ান

Home R3