মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দিতে ছয়টিরও বেশি দেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, জোটটি মূলত আত্মরক্ষামূলক এবং এর কোনো আক্রমণাত্মক উদ্দেশ্য নেই।
গত ৭ আগস্ট পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করে। পরে এর নাম দেওয়া হয় ‘মক্কা ডিফেন্স অ্যালায়েন্স’। চুক্তি অনুযায়ী, সদস্য কোনো একটি দেশের ওপর হামলা হলে তা তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে।
ইসহাক দার জানান, গত ৩১ আগস্ট জোটের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সৌদি আরবে এর সদর দপ্তর স্থাপন করা হবে। পাকিস্তান জোটের প্রথম মহাসচিব হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল নোমান মাহমুদকে মনোনীত করেছে। সৌদি আরবের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় আগামী সপ্তাহে জোটের জরুরি বৈঠকও হবে বলে জানান তিনি।
ইসহাক দার বলেন, ‘আমরা সৌদি আরবকে রক্ষা করতে বাধ্য।’ জাতিসংঘ সনদ এ ধরনের প্রতিরক্ষা জোটকে পদক্ষেপ নেওয়ার অনুমতি দেয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আফগানিস্তান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পাকিস্তানের শুভকামনা থাকলেও আফগান ভূখণ্ড যেন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যবহার না হয়, তা কাবুলকে নিশ্চিত করতে হবে। গত অক্টোবর থেকে আফগানিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ রয়েছে বলেও জানান তিনি।