১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

খুলনায় সহকারী ভারতীয় হাই কমিশন অভিমুখে লং মার্চ

বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অব্যাহত সন্ত্রাসবাদ ও দেশীয় সন্ত্রাসীদের ভারতে আশ্রয়ের প্রতিবাদে খুলনায় সহকারী ভারতীয় কমিশন কার্যালয় অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে তিনটায় আধিপত্যবাদ বিরোধী ঐক্য জোটের আয়োজনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার দিকে ছাত্রজনতা খুলনা মহানগরীর রয়েল চত্বরে ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে সমবেত হয়। সেখান থেকে তারা শান্তিধাম মোড় প্রদক্ষিণ করে শামসুর রহমান রোডে অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার কার্যালয়ের উদ্দেশে অগ্রসর হয়।

পথিমধ্যে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে পুলিশের স্থাপিত ব্যারিকেডের কারণে তাদের অগ্রযাত্রা থেমে যায়। তবে ব্যারিকেড ভেঙ্গে আরো সামনে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ, র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী তাদের আটকায়। পরে কনভেনশন সেন্টারের সামনেই বিক্ষোভকারীরা সড়কে বসে পড়ে ও স্লোগান দিতে থাকে।

এ সময় বক্তারা অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার পর থেকে ভারত নানাভাবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করে আসছে। তাদের দাবি, পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদীর ওপর গুলি চালানোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আশ্রয় দিয়েছে নয়াদিল্লি। এসব ঘটনা প্রমাণ করে যে ভারতের ভূমিকা বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী।

বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আগামী ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে অভিযুক্তদের ফেরত দেওয়া না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

আধাঘণ্টার মতো সেখানে অবস্থান শেষে আবারও মিছিল নিয়ে রয়্যাল মোড়ের দিকে চলে যায় বিক্ষোভকারীরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আধিপত্যবাদবিরোধী জোটের নেতা আহম্মদ হামিম রাহাত, মিনান মুশফিক, রমজান শেখ, মিরাজ হোসেন, মোহম্মদ তন্ময়, ফয়জুল্লাহ শাকিল, শাম্মী ইসলাম, সাঈদ নেওয়াজ, মিরাজুল ইসলাম, মহরম হোসেন মাহিম প্রমুখ।