১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

হাদির ওপর হামলাকারীরা এখন ভারতের আশ্রয়ে!

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের দাবি অনুযায়ী, হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ঘটনার পর সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন এবং বর্তমানে তারা আসামের গুয়াহাটি শহরে অবস্থান করছেন।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) ভোরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া পোস্টে এ তথ্য জানান তিনি।

ফেসবুক পোস্টে জুলকারনাইন সায়ের লেখেন, ‘ইনকিলাব মঞ্চের সংগঠক ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করার ঘটনার সাথে জড়িত শ‍্যুটার সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে দাউদ খান এবং তার সহযোগী মোটরবাইক চালক আলমগীর হোসেন গতকাল সন্ধ্যায় (১২ ডিসেম্বর) সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের বর্তমান অবস্থান আসামের গুয়াহাটি শহরে।’

তিনি লেখেন, ‘ভারতে তাদের সহায়তা করছেন আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানকের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মো. মাসুদুর রহমান বিপ্লব। বিপ্লবের তত্ত্বাবধানে এই হত‍্যাকারীরা ভারতে অবস্থান করছেন। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই আক্রমণ করা হয়েছে এবং আরো কয়েকটি হিট টিমের একই রকম ঘটনার পুনরাবৃত্তির পরিকল্পনা চেষ্টা রয়েছে।’

সায়েরের ভাষ্য, ‘এদিকে মূল শ‍্যুটার ফয়সাল তার ঘনিষ্ঠ মহলে দাবি করেছেন, ব্যবহৃত অস্ত্রটি জ্যাম হয়ে যাওয়ায় সে কেবল একটি গুলি করতে সক্ষম হয়। তার পরিকল্পনা ছিল চারটি গুলি করার।

সূত্র দাবি করেছে, ফয়সালের মতোই আরেক অস্ত্রধারী ক‍্যাডার চট্টগ্রাম নগর যুবলীগের সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য মো. সাজ্জাদ, যাকে গত ১৩ মে রাজধানী ঢাকার গুলশান এলাকা থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে চট্টগ্রামের মুরাদপুরে ফয়সাল আহমেদ শান্ত হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। তবে ২৯ জুলাই ২০২৫ সাজ্জাদ সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিনপ্রাপ্ত হয়ে কারামুক্ত হয়েছেন।’

তিনি আরো লেখেন, ‘অনতিবিলম্বে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের যেসব অস্ত্রধারী ক‍্যাডারদের বিভিন্ন মামলায় জামিন প্রদান করা হয়েছে, তাদের প্রত্যকের বর্তমান অবস্থান যাচাই ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া জরুরি।’