৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বাংলাদেশ

পরিকল্পিত জাকাত ব্যবস্থাপনা দারিদ্র্য দূরীকরণে সহায়ক হতে পারে: ধর্মমন্ত্রী

পরিকল্পিত জাকাত ব্যবস্থাপনা দারিদ্র্য দূরীকরণে সহায়ক হতে পারে: ধর্মমন্ত্রী ফাইল ছবি

নিসাব পরিমাণ সম্পদের অধিকারী ব্যক্তিরা যদি যথাযথভাবে জাকাত আদায় করেন এবং তা শরিয়াহ নির্দেশিত আটটি খাতে পরিকল্পিতভাবে বিতরণ করা হয়, তবে আগামী ৮ থেকে ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে দারিদ্র্য দূরীকরণে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন (কায়কোবাদ)।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দারিদ্র্য বিমোচনে জাকাত ব্যবস্থাপনার জাতীয় পরিকল্পনা নিয়ে ধর্মমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশের জাকাত ব্যবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বেসরকারি খাতের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। শহর ও গ্রামাঞ্চলের হাজার হাজার মাদরাসা ও এতিমখানা এই জাকাতের অর্থে পরিচালিত হয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা ও নৈতিক শিক্ষায় বড় অবদান রাখছে।

তিনি আরও বলেন, এই সামাজিক প্রেক্ষাপটকে বিবেচনায় নিয়ে সাধারণ মাদরাসাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জাকাত ফান্ডকে আধুনিক ও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহে গঠিত একটি বিশেষজ্ঞ সংস্কার কমিটি ইতিমধ্যে এ বিষয়ে একগুচ্ছ সুপারিশমালা পেশ করেছে।

দেশি-বিদেশি উৎস থেকে জাকাত সংগ্রহ আরও সহজ ও স্বচ্ছ করার ওপর জোর দিয়ে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন বলেন, পুরো প্রক্রিয়ার ওপর জনগণের আস্থা বাড়াতে কাজ করছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। কোনো ধরনের মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়া প্রকৃত উপকারভোগীদের চিহ্নিত করে সরাসরি চেকের মাধ্যমে দ্রুত অর্থ বিতরণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

সরকারি জাকাত ফান্ড ও সামগ্রিক জাকাত ব্যবস্থার মধ্যে একটি কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলা সম্ভব হলে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যেই এর সুফল দৃশ্যমান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ধর্মমন্ত্রী।

Home R3