খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে নেতৃবৃন্দ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচনী লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে। পেশীশক্তির অপরাজনীতি আবার শুরু হয়েছে। সিলেট-৩, মানিক-২ আসন সহ বিভিন্ন জায়গায় খেলাফত মজলিস প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা বাধাগ্রস্থ করা হচ্ছে। প্রচারপত্র ও বিলবোর্ড নষ্ট করা হচ্ছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন প্রার্থী ও তার কর্মীদেরকে রক্তাক্ত করা হচ্ছে। শেরপুরে জামায়াত নেতাকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। স্থানীয় বিএনপি সন্ত্রাসী কর্তৃক এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। অবিলম্বে প্রশাসনকে হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
তারা বলেন, নির্বাচনী সংঘাত বন্ধে ইসি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। আমরা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আর কোন লাশ দেখতে চাই না। কোন সন্ত্রাস ও পেশীশক্তির তাণ্ডব জনগণ আর মেনে নিবে না। নির্বাচন পরিচালনায় স্থানীয় রিটার্নিং কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বৃদ্ধি করতে হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি উৎসবমুখর পরিবেশে সন্ত্রাস ও জুলুমের বিরুদ্ধে রায় দেয়ার জন্য জনগণ উদগ্রীব হয়ে আছে।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন নায়েবে আমীর অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ। যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আবদুল জলিলের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম মহাসচিব ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিজানুর রহমান, বায়তুলমাল সম্পাদক আলহাজ্ব আবু সালেহীন, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুর রহমান ফিরোজ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রিফাত হোসেন মালিক, শাহাব উদ্দিন আহমদ খন্দকার, মুফতি আবদুল হক আমিনী, জিল্লুর রহমান, অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক, মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকার, হাফেজ নুরুল হক, আবুল হোসেন, আমির আলী হাওলাদার।