জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে আয়োজনের সরকারি সিদ্ধান্তের পর, গণভোটের আইনি কাঠামো কবে তৈরি হবে—সে বিষয়ে জানালেন আইন ও বিচার বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, আগামী তিন থেকে চার কার্যদিবসের মধ্যেই গণভোট আইন প্রণয়ন করা হবে।
এর আগে ১৩ নভেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে এবং সেই দিনই গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের মতোই গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হলেও সংস্কার কার্যক্রম ব্যাহত হবে না। গণভোট আয়োজনের জন্য যথাসময়ে প্রয়োজনীয় আইন করা হবে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও জানান, গণভোটে চারটি বিষয় একত্রে একটি প্রশ্নে উপস্থাপন করা হবে, যেখানে ভোটাররা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ দিয়ে মত জানাবেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ ‘হ্যাঁ’ ভোট পেলে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা হবে, যারা সংসদ সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন। পরিষদ প্রথম অধিবেশন শুরুর ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংস্কার সম্পন্ন করবে। এরপর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ নির্বাচনের ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে, যার মেয়াদ থাকবে নিম্নকক্ষের শেষ কার্যদিবস পর্যন্ত।
অধ্যাপক আসিফ নজরুল এর আগে নিজের এক ফেসবুক পোস্টে জানান, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে এবং পরবর্তী সংসদ থেকে এটি চালু হতে পারে।