পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও মুর্শিদাবাদ জেলায় অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে একদিনে মোট ১৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে রাজ্য পুলিশ। পৃথক দুটি অভিযানে এদের আটক করা হয়।
দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার রায়দিঘি থেকে ৫ জন পুরুষ, ২ জন নারী ও ৩ জন শিশুসহ মোট ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রায়দিঘীর গাজীর মোর এলাকার ইয়াকুব নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে এই অনুপ্রবেশকারীরা আশ্রয় নিয়েছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা বেশ কয়েক বছর আগে ভারতে প্রবেশ করে বেঙ্গালুরুতে ভাঙ্গারির ব্যবসা করতেন। সম্প্রতি বেঙ্গালুরুতে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হলে তারা বেঙ্গালুরু ছেড়ে রায়দিঘীতে পরিচিত ব্যক্তির বাড়িতে আশ্রয় নেন। আটককৃতদের লক্ষ্মীকান্তপুর হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদ জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাণীনগর থানার কাহারপাড়া এলাকা থেকে আরও ৭ জন বাংলাদেশি পুরুষকে আটক করা হয়েছে। গোপন সংবাদ পেয়ে রাণীনগর থানার পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান চালায়। সীমান্তে ৭ জনকে সন্দেহজনকভাবে ঘুরতে দেখে পুলিশ তাদের আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদের জানা গেছে, তারা বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার বাসিন্দা এবং রাজমিস্ত্রির কাজের খোঁজে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। দালাল সীমান্ত পার করিয়ে দিয়ে পালিয়ে যাওয়ায় তারা বিপাকে পড়েন। তাদের চেন্নাই যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এই ৭ জনকে লালগোলা হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে।
আটককৃতদের ভারতে প্রবেশের বৈধ কাগজপত্র ছিল কি না এবং কীভাবে তারা পশ্চিমবঙ্গে এলেন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।