১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

তারেক রহমান বাংলাদেশের জন্য নতুন দিগন্তের নেতা

এম এ হাকিম মিনহাজ


১৭ বছর বিদেশে কাটিয়েছেন, কিন্তু দেশের প্রতি তার ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা কখনও কমেনি। যদি তিনি প্রধানমন্ত্রী হন, তা হবে বাংলাদেশের জন্য এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা—যেমন মাহাথির মোহাম্মদ মালয়েশিয়াকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তেমনি তারেক রহমানও বাংলাদেশকে একটি আধুনিক, শক্তিশালী ও স্বচ্ছ রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে সক্ষম হবেন।

দেশের বাইরে থেকেও তিনি সর্বদা বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা পর্যবেক্ষণ করেছেন। দীর্ঘ দূরত্ব তাকে দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি। তার দৃষ্টিভঙ্গি সর্বদা দেশের উন্নয়ন, মানুষের কল্যাণ এবং নতুন সুযোগ তৈরি করতে নিবদ্ধ।

তার নেতৃত্বের মূল শক্তি হবে স্বচ্ছ প্রশাসন, দায়িত্বশীলতা এবং দেশের প্রতিটি খাতে দূরদর্শী পরিকল্পনা। শিক্ষা, প্রযুক্তি, উদ্যোক্তা উদ্ভাবন এবং অর্থনীতির প্রতিটি ক্ষেত্রে তার নীতি দেশকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে সক্ষম। যুবসমাজের উদ্যোগ, সৃজনশীলতা এবং দেশপ্রেম তার নেতৃত্বে নতুনভাবে বিকশিত হবে।

মালয়েশিয়ার মাহাথির মোহাম্মদের মতো, তারেক রহমানও বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক মানের নেতৃত্ব নিয়ে আসবেন। তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করবেন, দুর্নীতি দূর করবেন এবং দেশের প্রশাসনকে কার্যকর ও ফলপ্রসূ করবেন। তার দৃষ্টিভঙ্গি দেশকে সুসংগঠিত, সুশৃঙ্খল এবং সমৃদ্ধিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করবে।

যদি তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হন, বাংলাদেশ কেবল রাজনীতিতে নয়, দেশের সকল ক্ষেত্রেই নতুন সম্ভাবনার পথে চলবে। এটি হবে দেশের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত—যা যুবসমাজ ও জনগণের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে থাকবে। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মানের রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে—শক্তিশালী, স্বচ্ছ ও সমৃদ্ধ।

লেখক : বিএনপির পর্তুগাল শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক