৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ইউরোপ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে লিসবনে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ পর্তুগাল শাখার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে লিসবনে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ পর্তুগাল শাখার আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ভোটাধিকার সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ, পর্তুগাল শাখার উদ্যোগে গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) এর সভাপতি ও বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা ভিপি নুরুল হক নুরের সমর্থনে পর্তুগাল প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণে এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রিপন মাহমুদ এবং সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ খান।

আলোচনা সভায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন পটুয়াখালী–৩ (গলাচিপা–দশমিনা) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ভিপি নুরুল হক নুর। তিনি প্রবাসীদের এই আয়োজনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, গলাচিপা–দশমিনার মানুষের জন্য সুশাসন, এলাকার সার্বিক উন্নয়ন এবং মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির বড় শক্তি এবং তাদের সচেতন ভূমিকা দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জহুরুল ইসলাম মুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন— পর্তুগাল বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জনাব আব্দুল লতিফ কয়েছ, বিএপিপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জনাব সানি সুমন ও সিহাব আহমেদ,
পর্তুগাল যুবদল নেতা মর্তুজ আলী ও নোমান আহমেদ।

বক্তারা বলেন, প্রবাসীরা দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচন করতে সবাইকে সচেতন হতে হবে। তাঁরা গলাচিপা–দশমিনার উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার রক্ষায় ভিপি নুরুল হক নুরের পাশে থাকার আহ্বান জানান।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী অধিকার পরিষদ পর্তুগাল শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াছিন আরাফাত, সিনিয়র সহ-সভাপতি রাশেদুজ্জামান, সহ-সভাপতি আবু তালেব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ আহমেদসহ সংগঠনের সিনিয়র নেতা-কর্মীরা।

সভাপতির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ খান বলেন,“দেশের বাইরে থেকেও আমরা আমাদের মাতৃভূমির প্রতি দায়িত্বশীল। ভোটাধিকার নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা এবং যোগ্য প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

সভা শেষে একটি ঐক্যবদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত বাংলাদেশের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।