পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে গঠিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশ, ইরানসহ অন্যান্য মুসলিম দেশকে যুক্ত করার দাবি জানিয়েছে পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামী। দলটির আমির হাফিজ নাঈমুর রহমান বলেছেন, ফিলিস্তিনকে অগ্রাধিকার দিয়ে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে আরও বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলা প্রয়োজন।
রোববার করাচিতে জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত গাজা মার্চে দেওয়া বক্তব্যে হাফিজ নাঈম বলেন, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত গাজাসহ ফিলিস্তিনে ইসরাইলি হামলা বন্ধ করা। তিনি চুক্তিটিতে আরও মুসলিম দেশকে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান।
পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্ক গত ৭ আগস্ট মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করার কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, চুক্তিটি প্রতিরক্ষামূলক এবং সম্মিলিত প্রতিরোধ সক্ষমতা জোরদারের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
হাফিজ নাঈম আরও বলেন, শুধু ফিলিস্তিন বা গাজা নয়, কাশ্মীরের মানুষের অধিকার এবং আল আকসা মসজিদকে ঘিরেও মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য প্রয়োজন। শিয়া সুন্নি বিভাজন ও ভৌগোলিক দূরত্ব ভুলে মুসলিম দেশগুলোর একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
গাজাবাসীর প্রতি সংহতি জানিয়ে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের ঘোষণাও দেন জামায়াতের আমির। একই সঙ্গে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ও উচ্চ করের বিরুদ্ধে দলের আন্দোলন জোরদারের কথা জানান তিনি।
এর আগে আগস্টে বাংলাদেশও মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করতে পারে বলে জানিয়েছিলেন বাংলাদেশের জুনিয়র পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।