জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইহুদিদের ধর্মীয় উৎসব সুক্কোতের দ্বিতীয় দিনে প্রায় দেড় হাজার ইসরাইলি দখলদার প্রবেশ করেছেন। এরপর ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ আল-মাগারিবা ফটক, যা ডাং গেট নামেও পরিচিত, বন্ধ করে দেয়।
গত রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) এই ঘটনা ঘটে। জেরুজালেম গভর্নরেট জানিয়েছে, দখলদাররা দলে দলে ওই ফটক দিয়ে আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন। এ সময় দখলদার পুলিশ তাদের কড়া পাহারা দেয়। তারা মসজিদ প্রাঙ্গণে তালমুদীয় রীতি ও প্রার্থনা পালন করেন। বিশেষ করে আল-কাত্তানিন ফটকের কাছে এসব ধর্মীয় আচার পালন করা হয়। একই সময় তথাকথিত ‘উদ্ভিদ নৈবেদ্য’ও প্রাঙ্গণে আনা হয়।
দখলদার বাহিনী আল-কাত্তানিন বাজারের কয়েকটি দোকান বন্ধ করতে মালিকদের বাধ্য করে। বাজারের ভেতরেও তালমুদীয় রীতি পালন করা হয়। পাশাপাশি আল-হুত্তা ফটকের বাইরেও প্রার্থনা করেন দখলদাররা।
সুক্কোতের দ্বিতীয় দিনেও আল-আকসা ও পুরোনো শহরের আশপাশে সামরিক ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। মুসল্লিদের প্রবেশ ও চলাচলেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
জেরুজালেম গভর্নরেটের দাবি, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে ঐতিহাসিক আইন বদলে আল-আকসার নিয়ন্ত্রণ পাকাপোক্ত এবং স্থান ও সময় ভাগ করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
আল-আকসা মসজিদ ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান। ইহুদিরা এলাকাটিকে ‘টেম্পল মাউন্ট’ বলে অভিহিত করে এবং সেখানে তাদের প্রাচীন দুটি ইহুদি মন্দির ছিল বলে দাবি করে।