ইরানে আমেরিকা-ইসরাইলের হামলা, কাতারের সার রপ্তানিতে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তি না করা এবং গ্যাস-জ্বালানি সরবরাহ সংকটে দেশে সারের মজুতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। চাহিদা অনুযায়ী কারখানায় গ্যাস না পাওয়ায় ইউরিয়া উৎপাদন প্রতিদিন গড়ে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ কমে গেছে। এতে নিরাপদ সার মজুতের লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ টন থেকে বর্তমান মজুত ক্রমেই তলানিতে নামছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের সার মজুত পরিস্থিতি পর্যালোচনায় এ চিত্র উঠে এসেছে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনায় সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সার আমদানিতেও তৈরি হয়েছে ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা। এছাড়া হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বিকল্প রুটে মিসরের ইয়ানবু বন্দর হয়ে প্রায় ১২০০ মাইল ঘুরে সার আনতে হচ্ছে। এতে আমদানি ব্যয় ও সময় দুই-ই বাড়ছে। এর সঙ্গে কাতার চুক্তিবদ্ধ না হওয়ায় তিন দেশের পরিবর্তে এখন দুই দেশনির্ভর আমদানিতে সংকট আরো ঘনীভূত হয়েছে।