ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হারের চোখ রাঙানি দিচ্ছিল আর্জেন্টিনাকে। ম্যাচের ৮৫ মিনিট পর্যন্ত ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল আলবিসেলেস্তেরা। সময় যত গড়াচ্ছিল যতই যেন বিদায় ঘনিয়ে আসছিল আর্জেন্টিনার। তবে হারের আগেই হার নয়। শেষ মুহূর্তে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে জয় তুলে নেয় লিওনলে স্কালোনির দল।
আর্জেন্টিনার এই জয়ের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল দলের প্রাণভোমড়া লিওনেল মেসি। নিজে গোল না পেলেও আর্জেন্টিনার দুটি গোলেরই কারিগর ছিলেন তিনি। তার পাস থেকেই গোল দুটি করেন এনজো ফার্নান্দেস আর লাউতারো মার্টিনেজ।
দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার সঙ্গে সঙ্গে নতুন একটি রেকর্ডেও নাম লিখিয়েছেন মেসি। এদিন মাঠে নামার সময় তার বয়স ছিল ৩৯ বছর ২১ দিন। বয়সকে বুড়ো আঙ্গুল দেখানো মেসিই এখন সবচেয়ে বেশি বয়স্ক সেমিফাইনাল খেলা আউটফিল্ড (নন-গোলরক্ষক) খেলোয়াড়।
অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই ম্যাচটি মেসির ক্যারিয়ারের ৩৩তম বিশ্বকাপ ম্যাচ। এর মাধ্যমে তিনি নিজের তৃতীয় সেমিফাইনাল খেলার মাইলফলকও স্পর্শ করলেন। আগের দুই সেমিফাইনালেও মেসির পারফরম্যান্স ছিল দুর্দান্ত— এক গোল ও এক অ্যাসিস্টের পাশাপাশি দুবারই দলকে ফাইনালে তুলতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি।
বয়সের ভার যেন মেসিকে ছুঁতে পারেনি, বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি নিজেকে আরও উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। বর্তমান প্রজন্মের ফুটবলারদের জন্য তিনি যে নজির স্থাপন করছেন, তা সত্যিই বিরল। অভিজ্ঞতার ঝুলি পূর্ণ করে মেসি আজ আবারও প্রমাণ করলেন, কেন তাকে সর্বকালের সেরা ফুটবলার বলা হয়।