বগুড়া-৬ সদর এবং শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। বগুড়া-৬ সদর আসনে উপনির্বাচনে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ও শহর জামায়াতে আমির আবিদুর রহমান সোহেল পেয়েছেন ৫৭ হাজার ১৫৯ ভোট। অন্য প্রার্থী বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির আল আমিন তালুকদার ফুলকপি প্রতীকে পেয়েছেন ৫২৬ ভোট।
আজ শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাত ৯টায় ভোট গণনা শেষে জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
এদিকে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রার্থী জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে ভোট পড়েছে ৪২.৩৭ শতাংশ। অপরদিকে শেরপুর-৩ আসনে সাধারণ নির্বাচনে ভোটের হার শতকরা ৫০.৫২ ভাগ।
এদিকে দলীয় সরকারের অধীনে বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন কী হতে পারে, তার ‘বীভৎস রূপ’ ইতোমধ্যেই জাতির সামনে পরিষ্কার হয়ে গেছে। গতকাল নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন।
এছাড়া গতকাল রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার কারচুপি, জাল ভোট, এজেন্টদের বের করে দেওয়া এবং সকালেই রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর নিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন।