২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পিবিসিসিআই’র অভিনন্দন

ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন পর্তুগাল বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (পিবিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট আবদুল আহাদ সালমান ও সেক্রেটারি জেনারেল ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম শফিক।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই অভিনন্দন বার্তা প্রদান করেন নেতৃবৃন্দ।

বিবৃতিতে বলা হয়, “নতুন সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অগ্রগতি, সুশাসন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করবে বলে আমরা আশা প্রকাশ করছি।”

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, “গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে দেশের মানুষ। এই ফলাফল শুধু একটি নির্বাচনী বিজয় নয়, বরং দেশের ক্ষমতার ভারসাম্যে এক বড় রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের সূচনা। এই বিজয় জনগণের পরিবর্তনের আকাঙ্খার প্রতিফলন।”

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ নতুন গতিতে এগোবে এবং প্রবাসী উদ্যোক্তা ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য আরও সহায়ক নীতি প্রণয়ন করা হবে বলে প্রত্যাশা করে পিবিসিসিআই। বাংলাদেশ ও পর্তুগালের মধ্যে বাণিজ্য ও শিল্পখাতে সহযোগিতা বাড়াতে সংগঠনটি সক্রিয়ভাবে কাজ করছে এবং নতুন সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখতে চায় পিবিসিসিআই।

বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও পর্তুগালের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি ও স্টার্টআপ, কৃষি ও কৃষিপ্রযুক্তি, ব্লু ইকোনমি ও সমুদ্রসম্পদ ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পোশাক শিল্প, পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে যৌথ উদ্যোগ নেওয়া হলে বাংলাদেশ রপ্তানি খাত সম্প্রসারিত হবে এবং দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি সুফল বয়ে আনবে। সুনির্দিষ্ট নীতি সহায়তা পেলে এই খাতগুলোতে দ্রুত অগ্রগতি সম্ভব।

সংগঠনটি বলছে, বাংলাদেশ–পর্তুগাল জয়েন্ট ইকোনমিক কমিশন গঠন, নিয়মিত সরকারি বৈঠকের মাধ্যমে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রবাসী বিষয়ক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। এ জন্য প্রয়োজন দুই দেশে ব্যবসা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কার্যকর চুক্তি।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে কূটনৈতিক উপস্থিতি আরও জোরদার করার পাশাপাশি বাংলাদেশে পর্তুগালের ভিসা সেন্টার চালু করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে পর্তুগালে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য লিগ্যাল সাপোর্ট, রেসিডেন্স প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং শ্রম অধিকার সুরক্ষায় উদ্যোগ বাড়ানো জরুরি। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও সফল নেতৃত্ব কামনা করেছেন এবং বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।