৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বাংলাদেশ

কওমি তরুণ আলেমদের নেতৃত্বে যাত্রা শুরু করল “বাংলাদেশ গ্রীন পার্টি”

কওমি তরুণ আলেমদের নেতৃত্বে যাত্রা শুরু করল “বাংলাদেশ গ্রীন পার্টি”

“বিসমিল্লাহ” শীর্ষক সংক্ষিপ্ত ও অনাড়ম্বর আয়োজনের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করল “বাংলাদেশ গ্রীন পার্টি”।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি রুফটপ রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে দলটির নাম ও স্লোগান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।

এসময় রিদওয়ান হাসান আহ্বায়ক ও সালাহউদ্দীন জাহাঙ্গীরকে সদস্য সচিব করে দলের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

অনুষ্ঠানে দলের আহ্বায়ক রিদওয়ান হাসান বলেন, “এই উদ্যোগ কোনো হঠাৎ রাজনৈতিক ঘোষণা নয়; বরং ইনসাফভিত্তিক ও পরিবেশবান্ধব রাজনীতির প্রয়োজন থেকেই এই যাত্রা।” তিনি আরও বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণ কওমি আলেম ও শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে আগামীর তরুণ প্রজন্মকে রাজনৈতিকভাবে সচেতন, সংগঠিত ও কর্মমুখর করার লক্ষ্য নিয়ে দলটির যাত্রা শুরু হয়েছে।” তিনি জানান, আপাতত পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হচ্ছে না; আগামী তিন থেকে ছয় মাস হবে সংগঠন গড়ে তোলার প্রস্তুতি পর্ব।

দলের সদস্য সচিব সালাহউদ্দীন জাহাঙ্গীর অনুষ্ঠানে ভবিষ্যৎ কর্মসূচির রূপরেখা তুলে ধরে জানান, বাংলাদেশ গ্রীন পার্টি মূলত বাংলাদেশের কওমি মাদরাসা থেকে ওঠে আসা একদল তরুণের রাজনৈতিক প্রয়াস; যারা মুক্তিযুদ্ধে অর্জিত বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং জুলাইয়ে অর্জিত বৈষম্যহীন ও আধুনিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের চেতনায় বিশ্বাসী। তিনি বলেন, রাজনীতিকে সাধারণ মানুষের কাছাকাছি নিয়ে যেতে মূল সংগঠন কাঠামো হবে থানা কমিটি। দলটির সদস্য হতে আগ্রহীদের জন্য থানা কমিটির সদস্য হওয়ার অনলাইন ফরম উন্মোচন করা হয়। তিনি স্পষ্ট করেন, দলটিতে কোনো পদ পাওয়ার আবেদন নয়; কাজের আগ্রহ ও দায়বদ্ধতার ভিত্তিতেই অগ্রসর হওয়ার সুযোগ থাকবে। কেন্দ্রীয় বা অন্যান্য কমিটিতে অন্তর্ভুক্তি হবে কাজের মূল্যায়ন ও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে।

অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, দলের আহ্বায়ক যাত্রাবাড়ী থানা কমিটির সদস্য হিসেবে এবং সদস্য সচিব ধামরাই থানা কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে তাঁরা কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই যাত্রা কোনো প্রদর্শনীর রাজনীতি নয়; ধাপে ধাপে সংগঠন গড়ে তোলার সচেতন উদ্যোগ। কেবল মিছিল-মিটিং বা রাজনৈতিক শো-ডাউন দলটির মূল লক্ষ্য নয়; আগামীর তরুণদের প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ উপহার দেওয়া এবং কর্মমুখর করাও দলটির অন্যতম লক্ষ্য। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিগগিরই পরবর্তী কর্মসূচি ও সাংগঠনিক আপডেট প্রকাশ করা হবে।