যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর দুই সপ্তাহের জন্য ‘বোমাবর্ষণ ও হামলা’ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে গত ৪০ দিন ধরে চলা যুদ্ধে মার্কিন সামরিক শক্তির ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ পেন্টাগনের ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, “মাত্র ৪০ দিনেরও কম সময়ে যুক্তরাষ্ট্র মৌলিক সামরিক শক্তির মাত্র ১০ শতাংশ ব্যবহার করেই বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সামরিক বাহিনীকে কার্যকর প্রমাণ করেছে।”
হেগসেথ আরও বলেন, “ইরান নিজেকে রক্ষা করতে অক্ষম প্রমাণিত হয়েছে। তেহরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযান পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতিটি লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে।”
ব্রিফিংয়ে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে মার্কিন বাহিনী মোতায়েন করা হবে না বলে তিনি জানান। তবে হেগসেথ বলেছেন, “আমরা কোথাও যাচ্ছি না। সেনারা আগের অবস্থানেই থাকবে, প্রস্তুত ও সতর্ক থাকবে। প্রয়োজন পড়লে মুহূর্তের নোটিশে সব কিছু পুনরায় শুরু করা যাবে।”
হেগসেথ আরও যোগ করেছেন, “ইরান যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো মেনে চলবে এবং চুক্তির আলোচনায় অংশ নেবে। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের অনুমতি ইতিমধ্যেই দেয়া হয়েছে এবং এটি কার্যকর হবে।”
তিনি ইরানের চুক্তিতে আসার কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, “নতুন সরকারের সামনে আর কোনো বিকল্প বা সময় অবশিষ্ট ছিল না। তারা জানে, এই চুক্তির অর্থ হলো তারা আর কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র হাতে পাবে না।”
এই বিবৃতিতে স্পষ্ট হয়েছে, ৪০ দিনের সংঘাতেও মার্কিন সামরিক বাহিনী সীমিত শক্তি ব্যবহার করলেও, ইরানকে চাপে রেখে কূটনৈতিক সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা