১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

জাতীয়

আমরা ফেরত যাচ্ছি জিয়াউর রহমানের ফরেন পলিসিতে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আমরা ফেরত যাচ্ছি জিয়াউর রহমানের ফরেন পলিসিতে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, আমরা জিয়াউর রহমানের ফরেন পলিসিতে ফেরত যাচ্ছি।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় একটি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, পরস্পরের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা, নন-ইন্টারফেরেন্স, কারও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, ন্যাশনাল ডিগনিটি, জাতীয় সম্মান-মর্যাদা এবং পারস্পরিক সুবিধা, একতরফা কিছু না। আমরা পররাষ্ট্র কর্মকাণ্ডে আমাদের জাতীয় স্বার্থ পই পই করে বুঝে নেবো। এক হিসেবে আমরা মরহুম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ফরেন পলিসিতে ফেরত যাচ্ছি। অন্তর্বর্তী সরকারে আমরা সেটাই চেষ্টা করেছি।

অতীতের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, আমি যখন ফরেন অ্যাফেয়ার্সে জয়েন করি, তার তিনটা অত্যন্ত সাহসী পদক্ষেপের কথা আমার মনে পড়ে। ১৯৭৪ সালে আমরা জাতিসংঘের সদস্যপদ পাই। তার চার বছরের মধ্যে তিনি আমাদের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য পদে নির্বাচিত করার সিদ্ধান্ত নিলেন এবং জাপানের মতো একটা শক্তিকে পরাজিত করে আমরা সে নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলাম।

তিনি আরও বলেন, দ্বিতীয়ত ছিল সার্ক। সবচেয়ে আনকানেক্টেড একটা অঞ্চলে তিনি এই কানেক্টিভিটির কথা বলেছেন এবং সার্ককে প্রতিষ্ঠার যে কাজ বড় বড় কাজগুলো, তিনি করে গেছেন। তৃতীয়ত, আঞ্চলিক শান্তি, বিশ্বশান্তি রক্ষায় আলকুদস কমিটিতে তার ভূমিকা, মানে আমাদের ফরেন পলিসি শুধু ইতিবাচকই না, অনেক বিস্তৃত ছিল, আমরা সেই জায়গায় ফেরত যেতে চাই। আমি মনে করি বাংলাদেশ নিজের সক্ষমতা অনুযায়ী ভূমিকা রাখতে পারে না, আমরা সেটা করতে চাই। আপনারা দেখবেন, আমাদের ফরেন পলিসিতে ওই বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয়, বিএনপি থেকে এক সময় দাবি করা হয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পদ থেকে আপনাকে পদত্যাগ করতে হবে। এখন আপনিই বিএনপির আবার মন্ত্রী হলেন। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেসে বলেন, আমি তো জোর করে যাইনি। আর সঙ্গে পরিস্থিতিও বদলায়।

অনেকেই নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে এমন অভিযোগ তুলেছেন। এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যারা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’য়ের কথা বলছেন, তারা চাইলে আবার ভোট গণনা করুক। গুণতে তো কোনো মুশকিল নেই।