বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে সবার আগে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্ব দেওয়া হবে। শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা আড়াইটার দিকে নীলফামারী পৌরসভা মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, নীলফামারীকে শিল্পাঅঞ্চল হিসেবে গড়া তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্থাপন করা হবে কলকারখানা। তরুণদের চাকরি ব্যবস্থা, বেকার যুবদের প্রশিক্ষণের জন্য ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন করে প্রশিক্ষিত হিসেবে গড়ে তোলা, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডসহ বিভিন্ন সুবিধার কথা মাথায় রেখে নানা উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে কোন ধর্ম-বর্ণ ছিলো না। ঠিক ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচার পতনেও কোন ধর্ম-বর্ণ ছিলো না। আমরা ক্ষমতায় আসলে কোন ধর্ম-বর্ণ দেখা হবে না। আমি পরিষ্কার ভাবে বলতে চাই আগামী দিনের রাজনীতি হবে দেশ গঠনের। এ ক্ষেত্রে দল-মত নির্বিশেষে একসাথে আমরা কাজ করতে চাই। সামনে এগিয়ে যেতে চাই।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, জনগণের ক্ষমতার মুল্যায়নের সময় এসেছে এখন মেধা ও যোগ্যতার বিচার করতে চাই। সবার জন্য নিরাপদ একটি বাংলাদেশ গড়তে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহবান জানাই।
তারেক রহমান অভিযোগ করে বলেন, ভোটারদের ভয়ভীতি এমনকি হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমরা অন্যায়কারীদের শাস্তির আওতায় আনতে চাই।
বক্তব্য শেষে সমাবেশে নীলফামারী-১ আসনে জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা মঞ্জুরুল আলম আফেন্দী, নীলফামারী-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন, নীলফামারী-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ আলী ও নীলফামারী-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী আব্দুল গফুর সরকারকে পরিচয় করিয়ে দেন।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মীর সেলিম ফারুকের সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এএইচএম সাইফুল্লাহ রুবেলের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক, সাবেক সংসদ সদস্য বিলকিস ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট আবু মোহাম্মদ সোয়েম, জেলা বিএনপির আহবাায়ক কমিটির সদস্য মুক্তার হোসেন, নীলফামারী পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহবুব উর রহমান ও নীলফামারী পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট আল মাসুদ চৌধুরী, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রেদওয়ানুল হক বাবুসহ আরও অনেকে।
এরআগে সকাল থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নীলফামারী পৌরমাঠে উপস্থিত হন জেলার বিভিন্ন ইউনিটের নেতা কর্মীরা।