১০ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

রাজনীতি

নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে  ঢাকা-১৮ আসন থেকে কেন সরে দাঁড়ালেন মান্না?

নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে  ঢাকা-১৮ আসন থেকে কেন সরে দাঁড়ালেন মান্না?

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে ঢাকা-১৮ আসন থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১২টার দিকে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এ ঘোষণা দেন তিনি।

পোস্টে মান্না উল্লেখ করেন, বর্তমানে তিনি বগুড়ায় অবস্থান করছেন। বিশেষ পরিস্থিতিতে তিনি ঢাকা-১৮ ও বগুড়া-২—দুই আসন থেকেই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে ঢাকা-১৮ আসনটি বড় ও ব্যয়বহুল হওয়ায় সেখানে নির্বাচন পরিচালনা করা তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি লিখেছেন, ‘ঢাকা-১৮ একটি বিশাল নির্বাচনী এলাকা। এর অন্তর্গত সাড়ে সাতটি থানা এবং প্রায় সাড়ে ছয় লাখ ভোটার রয়েছে। নির্বাচন এতই ব্যয়বহুল যে তা নির্বাহ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এই প্রেক্ষিতে আমি ঢাকা-১৮ আসনের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার এই সিদ্ধান্তে হয়তো অনেকে কষ্ট পাবেন, তাদের কাছে আমি দুঃখপ্রকাশ করছি।’

উল্লেখ্য, ঢাকা-১৮ আসনে মান্নার মনোনয়নপত্র শুরু থেকেই বৈধ ছিল। রাজধানীর উত্তরা, খিলক্ষেত, কুড়িল, উত্তরখান, দক্ষিণখান ও তুরাগ এলাকা নিয়ে গঠিত এই আসনে বিএনপির এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আশরাফুল হক এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আরিফুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

অন্যদিকে, মান্না বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসন থেকেও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। শুরুতে ঋণখেলাপির অভিযোগে সেখানে তার প্রার্থিতা বাতিল হলেও পরে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে তিনি প্রার্থিতা ফিরে পান। এ আসনে প্রথমে বিএনপি তাকে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দিলেও পরবর্তীতে নিজেদের দলীয় প্রার্থী হিসেবে মীর শাহে আলমকে মনোনয়ন দেয়। বগুড়া-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান।