৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

তিন দফা কমার পর ফের লাফিয়ে বাড়ল স্বর্ণের দাম

তিন দফা কমার পর দেশের বাজারে আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) স্বর্ণের দাম বেড়েছে। ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম বেড়েছে পাঁচ হাজার ৪২৪ টাকা। সে হিসেবে আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে গুনতে হচ্ছে দুই লাখ ৫১ হাজার ৪২৪ টাকা।

আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ দুই লাখ ৪৫ হাজার ৭৬০ টাকায় বেচাকেনা হয়।

নতুন দাম অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ দুই লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ দুই লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ দুই লাখ পাঁচ হাজার ৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ এক লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

সোমবার বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটের পর থেকে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ দুই লাখ ৪৫ হাজার ৭৬০ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ দুই লাখ ৩৪ হাজার ৫৬৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ দুই লাখ ১ হাজার ৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ এক লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকায় বেচাকেনা হয়।

সোমবার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের পর থেকে বিকেল ৩টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ দুই লাখ ৫১ হাজার ১৮৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ দুই লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ দুই লাখ পাঁচ হাজার ৫২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ এক লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকায় বেচাকেনা হয়।

এরও আগে সোমবার সকাল ১০টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ দুই লাখ ৫৭ হাজার ৭৭৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ দুই লাখ ৪৬ হাজার ৫২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ দুই লাখ ১০ হাজার ৮৮৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ এক লাখ ৭২ হাজার ৫৬৯ টাকায় বেচাকেনা হয়।

গত রোববার ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ দুই লাখ ৫৯ হাজার ৬৯৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ দুই লাখ ৪৭ হাজার ৯১৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ দুই লাখ ১২ হাজার ৫১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ এক লাখ ৭৩ হাজার ৯১০ টাকায় বেচাকেনা হয়েছিল।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই নতুন দাম দেশের সব জুয়েলারি দোকানে কার্যকর থাকবে। তবে বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত পাঁচ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) ও বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ছয় শতাংশ মজুরি যোগ হবে। গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির পরিমাণে পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।