শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরে তাদের উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তবে তারা কেন আত্মগোপনে গিয়েছিলেন, কী কারণে পরিবারের সবাইকে নিয়ে চাঁদপুর ছাড়লেন এবং এর পেছনে কোনো আর্থিক বা ব্যবসায়িক বিষয় রয়েছে কিনা- এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোরে তাদের উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তবে তারা কেন আত্মগোপনে গিয়েছিলেন, কী কারণে পরিবারের সবাইকে নিয়ে চাঁদপুর ছাড়লেন এবং এর পেছনে কোনো আর্থিক বা ব্যবসায়িক বিষয় রয়েছে কিনা- এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি।
ঘটনার শুরু ১৯ আগস্ট। ওই দিন থেকে পিন্টু দাসের সঙ্গে স্বজনদের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। মুঠোফোনে কল করেও পাওয়া যাচ্ছিল না তাকে। একই সময়ে শহরের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে না পারায় স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।
এরপর স্থানীয়ভাবে পিন্টু দাস ও তার পরিবারের সদস্যদের ‘নিখোঁজ’ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তাদের অবস্থান নিয়ে নানা ধরনের তথ্য ও গুঞ্জন ছড়াতে থাকে।
এ অবস্থায় চাঁদপুর সদর মডেল থানার পুলিশ তাদের অবস্থান শনাক্তে অনুসন্ধান শুরু করে। একপর্যায়ে তাদের চট্টগ্রামে অবস্থানের তথ্য পাওয়া যায়। পরে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে পিন্টু দাসসহ পরিবারের চার সদস্যকে উদ্ধার করে।